সহব্লগারু তীর্থক তাঁর একটি পোস্টে আমার নামে একটি মিষ্টি কুৎসা রচনা করেছেন। তিনি আমার নাআআআআআম ধরে ডেকে বলেছেন, আমার নাকি আলুদের্াষ আছে। কেমন লাগে বলো তো বাবা?
একটু নিদ্রালু হয়ে পড়ায় গত কয়েকদিন ধরে একটু কম আসি ব্লগাতে। আজকে ঘুম থেকে উঠে আলুথালু হয়ে ঢুকে দেখি, ময়দান ফাঁকা, আলুর ক্ষেতের মতো। যা-ই হোক, আলুভাজি দিয়ে হাতরুটি খেলাম নাস্তায়, লবণ হয়নি ঠিকমতো, আলুনি লাগছিলো, তারপর গেলাম ব্যাঙ্কে। ব্যাঙ্ক থেকে ফিরে আবার ঢুকে দেখি এই অপবাদের বোঝা আমার ঘাড়ে। আমার নাকি আলুদের্াষ! বলি মাছের আলু আর মাংসের আলুএক করে ফেলবেন না জনাব! হ্যাঁ, স্বীকার করি যে বন্ধু নামের কিছু কলঙ্কের কল্যাণে আমাকে একসময় উপাধি দেয়া হয়েছিলো আলুন্দাজ, কিন্তু সে আমি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পছন্দ করি বলে! বেশি করে আলু খান ভাতের ওপর চাপ কমান আন্দোলনকেও মনে মনে বাহবা দিয়েছিলাম আলু ভালোবাসি বলে। কার্টোফেলজালাট পছন্দ করি, আলুর চপ আর আলুবোখারা ভালোবাসি, সেদিন আবার খেলাম পেস্তার আলুর ইলি্লবিলি্ল, ভিন্দালু-শাঁকালু-গজালু কিছুতেই আপত্তি নেই; এরকম গোলালুর মতো খোমা তো আলু খেয়েই বানালু ... আলু খাওয়ার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আলুম্পিকের নাম লেখাবো ভাবছিলাম ... তাই বলে আমার ঘাড়ে পষ্টাপষ্টি আলুদের্াষ চাপিয়ে দেয়া!
আমি তো বলি, এ দোষ নয়, এ গুণ! আলুগর্ুণ! যাই হোক, আর ফেনিয়ে কী লাভ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে আলুলায়িত শুভেচ্ছা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




