দেশ আজ তথ্যসন্ত্রাসী সাংবাদিকদের নখরে আক্রান্ত। যেখানে সেখানে তারা তাদের নোংরা নাক আর ক্যামেরা গলিয়ে দিয়ে ঠুসঠাস ছবি তোলে, খবর ছাপায়। দেশের ভাবমূর্তির মাথায় ভাবপায়রা সেজে এরা হাগে, ভাবমূর্তির বারোটা বাজায়। এহেন বিপদ থেকে দেশের ভাবমূর্তিকে রক্ষার জন্যে বীর ঠোলাবাহিনী সদা জাগ্রত। বাংলার ভাবমূর্তি রাখিবো পরিষ্কার, এ-ই তাদের মন্ত্র।
চট্টগ্রামে তথ্যসন্ত্রাসীদের নারকীয় হামলা থেকে স্টেডিয়াম ও টেস্টম্যাচকে কোনমতে উদ্ধার করে এনেছেন এমনই এক ঠোলাপুঙ্গব, নাম তার আকবর। আকবর দি গ্রেট বললেও অতু্যক্তি হয় না। উল্লেখ্য যে শামসুল আলম টেংকু নামের এক মস্তান সাংবাদিক একটা সিয়েঞ্জি নিয়ে তেড়েমেড়ে ঢুকতে চেয়েছিলো স্টেডিয়ামে, জনৈক সার্জেন্ট আনোয়ার তাকে একটি গোলাপফুল উপহার দিয়ে মিষ্টি করে বলেছিলো, ভাই যাবেন না ওটা নিয়ে। শামসুল আলম টেংকু তখন ট্রাইপড উঁচিয়ে অকথ্য গালাগালি করে সার্জেন্ট আনোয়ারকে উস্তমকুস্তম পেটায়, বিপন্ন সার্জেন্টকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা কনস্টেবলদেরকে হুমকি দেয় দেখে নেবে বলে। শুধু তা-ই নয়, কয়েক ঘন্টা পর সে আরো সাঙ্গোপাঙ্গো জুটিয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় মাঠ দখল করে নেয় চর দখল করে নেয়ার মতো। তাদের হুমকির দাপটে সব খেলোয়াড় ও দর্শক তখন প্যাভিলিয়ন আর গ্যালারিতে আশ্রয় নেয়। পরিস্থিতি আয়ত্বের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে পুলিশের বড়কর্তা আকবর দি গ্রেটকে খবর দেয়া হয়, তিনি ছুটে আসেন এই তথ্যসন্ত্রাসীদের হাত থেকে মাঠ মুক্ত করতে। তিনি করজোড়ে তাদের অনুরোধ করেন আজকের মতো মাঠ ছেড়ে দিয়ে দেশের ভাবমূর্তিকে পরিষ্কার রাখার, কিন্তু তাঁর এই বিনীত অনুরোধের উত্তরে দুর্বিনীত তথ্যসন্ত্রাসীরা তাদের অস্ত্রশস্ত্র উঁচিয়ে আকবরকে ধাওয়া করে। অসহায় আকবর প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ছুটোছুটি শুরু করেন, কিন্তু তিনি যেদিকেই যান অস্ত্র উঁচিয়ে কোন না কোন তথ্যসন্ত্রাসী রুখে দাঁড়ায়! শেষ পর্যন্ত জান বাঁচানো ফরজ ভেবে বীর আকবর এক বুড়ো সন্ত্রাসীর মরণআঘাতকে পাশ কাটিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন, এবং কোনমতে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসেন। তাঁকে রক্ষার জন্যে আর যে সব অসহায় ঠোলা ভাইয়েরা সামান্য বন্দুক হাতে ক্যামেরার বিরূদ্ধে লড়তে এসেছিলো, তাদের মরণপণ লড়াইয়ের কারণেই আকবর আজ জীবিত। কিন্তু বহুসংখ্যক তথ্যসন্ত্রাসীর কাছে গুটিকয়েক অসহায় বন্দুকাধারী পুলিশ বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি, তারা অচিরেই মাঠ থেকে ছুটতে ছুটতে প্যাভিলিয়নে গিয়ে আশ্রয় নেন, পেছনে সামনে দুদিকেই তাড়া করে আসে সশস্ত্র তথ্যসন্ত্রাসীর দল! উপায়ান্তর না দেখে ঠোলা ভাইয়েরা ম্যাচরেফারির কাছে শরণ নেন, তথ্যসন্ত্রাসীরা সেখানেও হামলা করে এবং আশ্রিতদের তাদের কব্জায় তুলে দেবার জন্যে ম্যাচরেফারিকে হুমকি দেয়। বহু বাদানুবাদ শেষে পুলিশ ভাইয়েরা প্রাণে রক্ষা পান।
উল্লেখ্য যে পুলিশ ভাইয়েরা এখন নিজ নিজ বাসায় পরিবারের সেবাযত্নে মানসিক চিকিৎসাধীন আছেন। তথ্যসন্ত্রাসীরা পরে নিজেদের মধ্যে বিজয়মিছিল বের করা নিয়ে মারামারি করে অনুরূপ টিটু নামে এক তথ্যসন্ত্রাসীর মাথা ফাটায়, সে বর্তমানে হাসপাতালে আছে।
দেশব্যাপী আজ বীর ঠোলা ভাইদের বিরূদ্ধে যে অপপ্রচার ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চলছে, তার বিরূদ্ধে রুখে দাঁড়ান, এবং দেশের ভাবমূর্তিকে সাফ করুন। বীর আকবর ও তার বীর সেনানী, আমরা তোমাদের ভুলবো না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


