টেলিভিশনের সংবাদপাঠিকার প্রেমে পড়েছেন কেউ?
আমি সম্প্রতি এক সংবাদপাঠিকা বালিকার প্রেমে ঘায়েল হয়ে প্রায় শয্যাশায়ী (একাই)। ধরা যাক চ্যানেলটির নাম চ্যানেল টু। ধরা যাক সংবাদ পাঠিকার নাম টারজানা খান। সন্ধ্যেবেলা তিনি নানারকম শঙ্কাজাগানিয়া সংবাদ আবৃত্তি করেন, আর আমি একেবারে প্রেমের মরা হয়ে ভাসি। কী তাঁর চাহনি, কী তাঁর অধরকীর্তি, যদিও তাঁর স্বর ততোটা মিষ্টি নয়, তবে ঝাঁঝালো, কান দিয়ে পান করে আনন্দ পাওয়া যায়। কমজাত বেদরদী ডেস্কের নিষ্ঠুরতায় অনেকখানি ঢাকা পড়ে গেলেও তাঁর কিঞ্চিৎ অঙ্গসৌষ্ঠব চোখে ধরা পড়ে, তাতেই আমি কাইৎ!
ভাবলাম, পত্র লিখি তাঁকে। কিভাবে তিনি আমার দিল মে চাক্কু বসিয়েছেন তার বিশদ বিবরণ দিয়ে। নিচে থাকবে আমার ইমেইল অ্যাড্রেস। তারপর ভাবলাম না, সশরীরেই যাই, কাঁটাসহ গোলাপ নিয়ে তাঁর চলার পথে হাঁটু গেড়ে বসি। তারপর ভাবলাম ধুৎ, তারচেয়ে একটা পোস্ট লিখি।
হীরামন পাখি দরকার এখন। পারিন্দার মুখে দিলের নওবেদ পাঠাতে হবে তাঁর কাছে। কাঁটাবন মার্কেটে হীরামন খুঁজতে যাবো ভাবছি।
[ধড়িবাজ ব্লগারুরা বুঝে ফেলেছেন যে এগুলি হচ্ছে আমার শতক হাঁকানোর টালবাহানা, কিছু না কিছু তো লিখতে হবে!]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




