বেশ কিছু জ্বালাময়ী বক্তিমে ঠুকে মুখফোড় উধাও। তার আকুল আকুতিতে কেউ কর্নপাত করে নি, তার সসংকোচে প্রকাশিত সব কথার বিজ্ঞাপন ঝুলছে নীড়পাতায়, কিন্তু মুখফোড় কোথায়??
এক সলুকসন্ধান করতে কে কে আগ্রহী ?
আমি মামুর বেটারে জিগাইলাম ও মামুর বেটা মুখফোইড়্যার কোনো খবর লাগাইছো?
মামুর বেটার উত্তর
ওরে নাকি পলটনের ময়দানে দেখা গেছে, হাতে চোঙা,
নতুন বাংলা আন্দোলন চাই বলতে বলতে ম্যানহোলে পড়েছে। আমার বিশ্বাস হয় নি, ভায়ার বাংলাপিড়ীতি ছিলো তাই বলে ভায়া চোখের মাথা খেয়েছে এমনটা শুনি নি মোটেও।
কবিরাজ ওরফে কবরেজ হিমুকে বললাম
সুকুমারবৃত্তি নিয়ে সে এখন সন্দেশ খাচ্ছে এমনটাই আমার ধারনা--তার কল্পিত উত্তর।বললাম সুকুমার কেনো,শুধু কুমার বললে এই নারী আন্দোলনের যুগে সবাই গোস্যা করবে না, তার ঐ একই উত্তর, সে গেছে সুকুমারের খোঁজে।
গোধুলি কাহারে জিগাইলাম কাহা মুখফোড় রে দেখছুইন?
কাহায় বললো তাড় তড়িৎডাকে সন্দেশ দেওয়া হয়েছে, হি ইজ কামিং টু বাংলা ব্লগিং সুন। কিন্তু সেই সন্দেশে বোধ হয় মিষ্টি কম ছিলো, তাই তরিত্ব জবাব আসে নি।
ওদিকে আমার বন্ধু ক্রাইমার রাসেল বেশ উচুঁ জায়গা থেকে খবর এনেছে, এটা নাকি একটা গভীর চক্রান্ত, অবশ্য ওর মাথায় সারাদিন ষড়যন্ত্রের পোকা ঘুরে রাজনৈতিকদের মতো, তার জল্পনা
এই রাজাকারবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার পর তাকে ছাত্রশিবিরের পান্ডারা মেরে ঠান্ডা করেছে। নেতার বগলে সুরসুরি দিয়ে নেতার ল্যাজে তুবড়ি বাধার সাধ ভুলিয়ে দিবে তাকে।
কারও কারও অভিমত বাংলা ভাইয়ের সাথে শেষবার দেখা করতে গিয়েছিলো মৈমনসিং, সেখানে বোমাবাজিতে আহত এখন বাজিতপুরের মহিলা হসপিটালে ভর্তি সে।
আমি বড় চিন্তিত মুখফোড় বাছাকে নিয়ে। আমার নতুন যুগের বাংলা শব্দ খোঁজা অভিযান থেমে গেছে।
পিলিজ কেউ খবর জানলে হালকা টোকা দিয়েন এখানে
মুখফোড় মুখফোড় ডাক পাড়ি
মুখফোড় বাবা খাইলে ঝাড়ি
আয়রে মুখফোড় ফিরে আয়
বাংলা ব্লগ ইংরেজি খায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



