ব্যাঙ্গকার ছিলাম, হালে পানি পেলাম না, শোমচৌ আলু বানায়া ভর্তা করে ফেললো, বেশ চোট পেলাম দিলে, এই নাদানের কি কোথাও ভাত জুটবে না,
বিজলি চমকের মতো আজ পেলাম ভালো একটা আইডিয়া, একটা সাহিত্যবাসরীয় খুলে ফেলি, হিমুর বাসর রাতের খোলাখুলি থুককু পান এর বিষয় না এটা, যাই হোক, প্রস্তাব পেশ করি।
এদেশে অনেক কিছু আছে, কিন্তু শুধুমাত্র সাক্ষাৎকারভিত্তিক পত্রিকা নেই, আমি পয়সা দিয়ে বা মাংনায় সবার সাক্ষাৎকার নিবো, আগে প্রচার পরে প্রসার আর তার পরে বানিজ্য হবে।
কিন্তু এ আইডিয়া আসার আগেই মুখফোড় স্বর্গত। না মরে বেহশত বাসী নয়, বেহেশতে আমাদের পত্রিকার প্রদায়ক, সেখান থেকে আদম বাবাজির নানান কেচ্ছা কাহীনি ধারাবাহিক ভাবে জানাবে জানিয়েছে, তার প্রথম খন্ড এখানে দেখেছেন আপনারা।
অপ বাক কে দায়িত্ব দিয়েছিলাম 1400 বছর আগের আরবের পরিস্থিতির সচিত্র বর্ননা দেওয়ার জন্য, বেটা আমাকে ঘোল খাইয়ে আরও 8000 বছর আগে গিলগামেশ আর বনিআসুরের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে,
বিভিন্ন যুগের উজ্জল চিত্রগুলো তুলে ধরতেই হবে আমাদের,
সূমন আমাদের আর্যরাজ্য সম্পাদক, এটা আমাদের সিস্টার কনসার্ন সে প্রাচীন ভারতের মুনি ঋষিদের সাথে যোগাযোগের ফলে প্রাপ্ত উপাত্তগুলো জানাবে সবাই কে।
বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন আলোচিত ঘটনা এবং টিটবিট জানাবে শোমচৌ , আরও একজন ছিলো , পদত্যাগ করেছে কাজের চাপে, প্রিয় হীরক লস্কর,
বিভিন্ন বই থেকে কাটপেষ্ট করার জন্য আমরা শুভ বাবুকে ভিস্কার করেছি, এই দুঃখে সে দৈনিক চোখের পানি তে একটা করূন সাক্ষাৎকার দিয়েছে, সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ঘুমন্ত হামেদ,
আমি ওটার উল্লেখযোগ্য অংশ প্রকাশ করবো সামনেই।
আর কবি বাবা সুদ খানের সাথে একান্ত আলাপচারিতা রত বজ্জাত শরীফ এবং ব্যার্থ রাইসুর ঘনিষ্ঠ কথোপকথন আমরা মাঝে মাঝেই আপনাদের জানাবো।
আমি মূলত সঞ্চালক, মাঝে মাঝে নিজেও কিছু ন্যাপতামি করবো, তবে ন্যাপ্তানোর মূল দায়িত্ব লেখকদের।
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে আমাদের এ আয়োজনে সহায়তা করেছেন
ধুসর গোধুলী - তিনি আমাদের রহস্য পাতার ন্যাপ্তক।
লাল মিয়া- আমাদের কৌতুক পাতার ন্যাপ্তক
হিমু- ওকে কবিতা পাতার দায়িত্ব দিয়েছিলাম, বেতনে বনিবনা হচ্ছে না তবে আমি জোড় প্রচেষ্টা চালাচ্ছি, বরশী গিলবে এমন আশা রাখি।
আপনাদের প্রতি আবেদন আপনারা যার যার সাক্ষাৎকার চান আমার এখানে জানাবেন, সময় ও সুযোগ বুঝে সে দাবি মেটানোর চেষ্টা করবো।
আর যারা যারা এখানে যোগ দিতে আগ্রহী তাদের বিভিন্ন যুগের সেরা সেরা লোকের কাছ থেকে অন্তত 5টা প্রশংসা পত্র আনতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



