somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শয়তানের না জানা ইতিহাস

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইশ্বর নিজে এবং তার সদাজাগ্রত এবং অনুগত দেবদুত এবং তার বানী বহনকারী লক্ষ নিযুত পথপ্রদর্শক এবং হাজার হাজার উপাসনালয় এবং সেসব উপাসনালয়ের সব যাজক এবং উপাসক এবং শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষের বিপরীতে বলিষ্ঠ একজন একা মাথার শিং তুলে দাড়িয়ে আছে, সেই শয়তানে নমস্কার।

এই একটা ব্যাক্তি ইশ্বর এবং তাবত উপাসনালয়ের উপাসক, দেবদুত, এবং ধর্মপ্রান মানুষের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, উনি একাই পৃথিবীতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন, মানুষকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছেন, ইশ্বর তার ক্লিব দেবদুত এবং অতিরিক্ত কামুক মসজিদের ইমাম, এবং যৌনবিরত যাজক এবং পুরোহিত এবং এদের প্রহরায় থাকা সমস্ত ধার্মিক মানুষেরা মিলেও তাকে থামাতে পারছে না।

থামাতে পারছে না মানুষের ঘাড়ের উপর ঠ্যাং তুলে বসে থাকা 2 ফেরেশতা। থামাতে পারছে না, আমার প্রায় নিঁখুত কামানো গালে ছোট্টো দাড়ি ধরে অস্তিত্বের লড়াই রত 70 হাজার ফেরেশতা, এই একটা লোক তাবত ধর্মগ্রন্থে প্রস্রাব করে দিব্যি ল্যাজ নাচিয়ে যাচ্ছেন, তার টিকিটাও ধরতে পারছে না, এত জনবল নিয়েও এই একটা লোককে থামানো যাচ্ছে না এইটা দেখেও যদি কারো একটু সহায়তার খায়েশ জাগতো ভালো হতো।

এই একটা লোককে থামানোর জন্য সপ্তম আকাশের প্রতিটা রন্ধ্রে সিপাহী বসানো হয়েছে, তারা পাথর হাতে নিয়ে অপেক্ষায় থাকে , শয়তান দেখলেই হুঁশ পাখি বলে পাথর ছুড়ে মারে, আর সেই পাথরের আঘাতে মরে যায় হজ্বযাত্রীর দল,
এই বহূরূপি ইবলিশ মাছি সেজে প্রবেশ করে নন্দন কাননে, হাওয়াকে ভুজুং দিয়ে আপেল খাওয়ায় আর সে আপেল খেয়ে বাবা আদমের ডিসেন্ট্রি হলে নন্দনকাননের পরিবেশ সচেতন মন্ত্রি তাকে স্বর্গ থেকে বহিস্কার করেন, তবে আদমের আপেল খেয়ে দিব্য চক্ষু খুলে যায়, হঠাৎ সে আবিস্কার করে তার সামনে এক ন্যাংটা মেয়ে দাড়িয়ে, অর্থ্যাৎ যৌনতা বোধের জনক ইবলিশ আর ওটা আপেল ছিলো না ছিলো ভায়াগ্রা। এবং এই আদম পরে একটা সস্তা ক্যামেরা কিনে ই-বে অকশনে , কিনে প্লেবয়ের সেন্টার পেজে হাওয়ার নগ্ন ছবি ছাপিয়ে দেয়। আদমকে প্রথমে নন্দন কানন থেকে বহিস্কার করে ৩য় আসমানে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিলো, এই অনাচারের পর তাকে ৩য় আসমানের সদর দরজা দেখানো হয়, এবং আদম অধঃপতিত কিংবা ভূপতিত হন।

শয়তান এই কাজ করে দিব্য গ্যাট গ্যাট করে পৃথিবীতে নেমে আসে, এর পর হাওয়াকে আদমের কাছ থেকে দুরে সরিয়ে রাখা হয়, ভায়াগ্রার তীব্র প্রভাবে আদম যখন বৃক্ষচারী বানরদের সতীত্ব নাশ করেন প্রবল পরাক্রমে তখনই দ্বি-পদ প্রাইমেটের সৃষ্টি হয়, এদের নিশান আমরা দেখি এখনও প্রাচীন খননে।

এবং এরও অনেক পরে আদমের সাথে হাওয়ার দেখা হয়, এবং হায় আমার আদম বলে হাওয়া ময়দানের এপাশ থেকে ছুটতে ছুটতে আসেন, অন্য পাশ থেকে আদমের লৌড়ানি, অবশেষে সেই বলিউড হলিউডের মতোই পর্দার মাঝখানে তাদের দেখা হয়, তারা আলিঙ্গনাবদ্ধ হন, এবং পাশের সীটের সদ্য কিশোর সিটি মারে, লে বাওয়া আদম তেরে জাওয়াব নেহী বলে আবার ফুচকি কাটে, বেহায়া শয়তানের অনুচর।

শয়তান এর পর কোথায় ঘাপটি মারে এটা জানা যায় না, কথিত নুহের বন্যায় যখন পৃথিবী প্লাবিত হয় তখন শয়তানের থাকার কোনো জায়গা ছিলো না , সে নুহের নৌকার মাস্তুল ধরে ঝুলে পড়ে, এবং গাধাশালায় গিয়ে এক গাধার সাথে সঙ্গমলিপ্ত হয়, এই গাধার ভবিষ্যত বংশধর এবং তাদের তালতো পরিবারবর্গের উজ্জল সন্তানেরা হলো, মওদুদী, গো আজম, নিজামী, লাদেন।

তবে এদের পূর্বপুরুষেরা, মনে রাখতে হবে নুহ সমকামবিরোধী ছিলেন, তাই সেই গাধাকে নোয়াখালিতে নির্বাসন দেওয়া হয়, নোয়াখালী থেকে তারা মাইগ্রেশন করে চিটাগাং, এবং এই ২ জায়গায় তাদের কিছু সন্তন সন্ততি এখনও বর্তমান। শয়তানের কথা বলতে গিয়ে ভুলে শয়তানের ছানা পোনার কথা বলছি, শয়তানের কথা বলি তাহলে, শয়তান নন্দন কানন থেকে বের হয়ে গ্যালাক্সিতে গিয়ে ৩ পেগ ভদকার অর্ডার দিয়ে একটু ঝিমান, তার পর হাবিল কাবিলের মধ্যে কলহ বিবাদ তৈরি করে আবার নিদ্রারত।

তবে সভ্যতার ইতিহাস ঘাটলে একটা জায়গায় এসে মনে বড় শান্তি লাগে, আবু লাহাব এবং মুহাম্মদ ২জনেই শয়তানের ভয়ে কাতর ছিলেন, ২ জনেই ২জনকে শয়তানের অনুচর বিবেচনা করেছেন, শয়তানের নিজের কিছু করতে হয় না, তার আইডিয়াই যথেষ্ট এখন, ইশ্বর এত শত অনুচর নিয়ে যাকে দমনের কাজ চালাচ্ছেন ,আমি গোপন খবর পেয়েছি শয়তান এখন প্রকাশ্যে আসতে চায় না, সত্যি কি মিথ্যা যাচাই করতে পারলে ভালো হতো।

শয়তান অন্তর্ধানের পিছনের গল্পটা বলে শেষ করি আজকের আসর-
এক সাধু উপাসনা করছেন, তিনি পদ্মাসনে বসে এক মনে রামনাম জপ করছেন, শয়তান সকল সময়ই উপাসনাবিরোধী, তা লোকে রামনাম জপ করুক আর জিকির করুক, সব উপাসনারত মানুষেরাই শয়তানের ২ চোখের বিষ, এদের দেখলেই শয়তানের ২ চোখে বন্যা চলে আসে, তার মেজাজটাখারাপ ট্যান কার্ভের আধেক পাইয়ে চলে আসে, এবং কঠিন সত্য ভাষন দিয়ে সে সেই রামনাম জপকারী মরমীর ধ্যান ভঙ্গের বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।
প্রথমে সে গাধা হয়ে বিকট চিৎকার করে ধ্যানীর আশে পাশে, ধ্যানীর ধ্যান টলে না।
এর পর সিংহ বাঘ, হাতি, সব প্রচেষ্টা ব্যার্থ হলে মোগলাই খাবারে সুঘ্রান, এর পর অবশেষে জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসেবে অপ্সরার রূপ ধরে ধ্যানীর পাশে গিয়ে প্লেবয়ের পাতা উলটাতে থাকে,
যাই হোক ধ্যানীর উত্থান বলে কথা, আকাশ বাতাস কাপিয়ে ধ্যানীর উত্থান হয়, শয়তান প্লেবয়ের পাতার ফাঁকে ছোটো চিরকুট রেখেছিলো, যদি ধ্যান ত্যাগ করো তবে আমাতে গমন করিতে পারিবে-
তা ধ্যানীর উত্থান হওয়ার পর ধ্যানী অপ্সরাকে বলেন- হাই সেক্সি, আমার ধ্যান ভেঙ্গেছে তো আমার পুরস্কার কোথায়?
অপ্সরা বলে এইতো আমি আপনার পুরস্কার, তা ধ্যানী আপনি কিভাবে উপগত হইবেন,
ধ্যানী গম্ভির মুখে বলেন আমি পশ্চাতদ্বারে উপগত হইবেক।
শয়তান কখনই ওয়াদার বরখেলাপ করে না, তাই ধ্যানী পশ্চাতদ্বারে উপগত হন, এবং শয়তান ধ্যান ভাঙানোর আনন্দে ফিক ফিক করে হেসে বলে দেখলে তো আমি আমার ধ্যানে সফল।
ধ্যানীর দুষ্ট রূপ প্রকাশ পায়, বলে বেটা শয়তান তুই একটা নিরেট মুর্খ তুই একটা ত্রিভূজ বেটা, আমার ধ্যানতো ভেঙেছে অনেক আগেই আমি তো ঘাপটি মেরে দেখছিলাম তুই কি করিস, অবশেষে যখন তুই আমাকে গমন করার অনুমতি দিলি তখন আমি ধ্যান ভাঙার ভান করলাম। আমার ধ্যান ভঙ্গ হয়েছে ক্ষতি নেই কিন্তু আমি এটা সবাইকে বলতে পারবো যে আমি শয়তানের পুঙ্গি মেরেছে।
এ খবর পেয়ে শয়তান লজ্জায় কোনো এক ঘরে মুখ লুকিয়েছে।


শয়তানের লজ্জা প্রবল কিন্তু যাজক এবং ইমামদের লজ্জা কমে না, তারা এখনও শিশুদের পোঁদ মেরে বাজার গরম করে রেখেছে।


সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:০২
২৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ

লিখেছেন সামিউল ইসলাম বাবু, ০৬ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৫

আমার ভালোলাগা কিছু ছবি নিচে শেয়ার করা হলো। একটা আায়াত জানলেও তা অপরের কাছে পৌঁছে দাও(আল-হাদিস

পৃথিবীতে কেও আপন নয়। একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা ব্যতিত। তাই ভালো মন্দ সকল বিষয়েই কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার বেঁচে আছে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২





আপনার মা/বাবা বেঁচে থাকলে আপনি এখনো সৌভাগ্যবান -এরকম ভাবনা হয়তো ৯৮ ভাগ মানুষ ভাবে। মা/বাবা নিয়ে মানুষের ইমোশন, সংগ্রাম নিয়ে সবাই কিছু কিছু লিখতে পারবে, বা মুখে বলতে পারবে। গোর্কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখালিখি হতে পারে আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করার খোরাক।

লিখেছেন মাধুকরী মৃণ্ময়, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×