somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইশ্বর এবং শয়তানের বিবাদে পুলিশের ভুমিকা

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নতুন প্রত্নতাত্ত্বক খননের পর হাইয়া হাইয়া সাহেব এটা বলতে বাধ্য হয়েছেন এই ঘটনার চেয়ে সত্য ঘটনা নেই আর। তিনি তার ১৩২ তমগ্রন্থে আলোচ্য গবেষককে বিশেষ ভাবে সম্মান প্রদর্শন করেছেন। এবং এমন তথ্যনির্ভর পুংখানুপুংখ গবেষনার জন্য গবেষককে 3টা সোনার মেডেল দেওয়া হয়েছে। অবশ্য গবেষক ঠিক করেছেন এর ২টা শুভ নামের একজনকে দেওয়া হবে।


-------------

অনেক অনেক দিন আগের কথা তখনও বিবর্তনের ধাপগুলো চলছিলো, সেই যুগ আবার ফ্রি সেক্সের যুগ , তখনও মানুষ তৈরি হয় নাই, মানুষের জন্য ইশ্বর ধর্মও তৈরি করে নাই, আদমের জন্য ৩২ ঘাটের মাটি খুঁজতে পৃথিবীর আনাচে কানাচে ঘুরছিলো বৃহন্নলা দেবদুতের দল। অবশ্য ইবলিশ তখন তুখোড় ফর্মে, দেবদুতদের নাকানি চুবানি খাওয়াচ্ছে, দিন রাত গাদাম গাদাম করে সেজদাহ ঠুকছে সপ্তম পাতালে,সেই যুগের গল্প তাই একটু সামলে,যাদের রূচিবোধ নাকের ডগায় সিকনির মতো ঝুলে থাকে তাদের অনুরোধ অসাস্থ্যকর এবং অরূচিকর এই অভ্যাস ত্যাগ করে টয়লেটে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসুন, আমরা একটু খোলামেলা আলোচনা করি, সাথে শোমচৌয়ের খিয়ান্তি, হিমুর ভদকা, এবং বাকি সবার পছন্দের রেড ওয়াইন, হোয়াইট ওয়াইন, রাম, শ্যাম্পেন, যার যা পছন্দ নিয়ে বসুন, চাট এবং বাদাম ভাজা, তেলে ভাজা, খিচুরি পোলাও সব নিয়ে বসতে পারেন কিন্তু রূচিবোধের সিকনি ঝেড়ে বসতে হবে, পংক্তি ভোজন, সবার সাথে মিলে মিশে বসতে হবে , দলমত নির্বিশেষে আসুন পান করি, উদযাপন করি অনেকগুলো উদযাপনের মুহূর্ত এসেছে।

যা বলছিলাম, সেই যুগে এক হায়েনার সাথে গন্ধগোকুলের ফিল্মি ভাষায় যাকে বলে লুভ হয়ে গেলো। খুল্লামখুল্লা প্রেম করেগা হাম দোনো বলে এই জুটি জংল দাপিয়ে বেড়ায় দিনরাত।
একই গাছের কোটরে বসবাস করে, নিয়মমতো অনুমোদন পাওয়া যায় নি তাই বিয়ে করা হয় নাই হায়েনা এবং গন্ধ গোকুলের, ওরা নিয়মের থোরাই কেয়ার করে, তাই লিভিং টুগেদার চলছিলো সাঁটিয়ে। বন ছিলো ২ শিবিরে বিভক্ত, বাঘ এবং সিংহ দলের সমর্থকদের মধ্যে নিত্য গেঞ্জাম ছিলো দৈনিক বনকথা প্রথম পাতায়। এর মাঝে এক বিড়াল উদয় হলো কোথা থেকে যেনো, গায়ে আলখাল্লা মুখে নকল দাড়ি, পিছনে বাক্সের ছবি ঝুলানো, এসেই ফতোয়া দিলো আমাকে ইডেন গার্ডেন থেকে পাঠানো হয়েছে, আমি যা বলবো সেটাই ইশ্বরপ্রেরিত বিবেচিত হবে, গড বলেছেন বাঘ-সিংহ একই মায়ের সন্তান, ১০ জন্ম আগে বাঘ এবং সিংহের বাবা একই ছিলো, পরে বাঘ এক মহাদেশে হিজরত করে আর সিংহ অন্য মহাদেশে তাই বিবর্তনের কারনে ওদের অবস্থা বদলে যায়, আমিও সেই বংশের সন্তান, আমাকে গড মনোনিত করেছেন তোমাদের হাককায়ে ইলেম দেওয়ার জন্য, আমি বলছি সব বাঘ-সিংহ এবং বাঘ সিংহের দ্বারা পরিচালিত সকল জীবকূলের জন্য বিড়াল ধর্ম প্রচলন করা হলো। এখন থেকে বাঘ-সিংহ এক সাথে নদিতে নাইতে যাবে, যে এই কথার বরখেলাপ করবে তাকে গড আগুনে ভাজা ভাজা করবেন আর যে এই কথা মান্য করবে তাকে গড ঘিয়ে ভেজে বীট লবন দিয়ে খেয়ে ফেলবেন, সে গডের টয়লেটে আজন্ম বন্দি হয়ে থাকবে, বাঘ-সিংহের মধ্যে মিলমিশ থাকা অবশ্যকাম্য এবং গডের আকাংক্ষিত বিষয়।

বাঘ এবং সিংহ প্রথমে মানতে চায় নি, নিজের এলাকার চারপাশে মুতে মুতে বাঘ সীমানা নির্ধারন করলো, এবং সিংহ গাছের গুড়িতে আঁচর কেটে তার সীমানা নির্ধারন করলো। কিন্তু সমস্যা বাধলো তখনই যখন বাঘের মুতে সিংহের আঁচর পড়লো। নির্মম পরিহাস সেই গাছের কোটরে থাকতো আমাদের হায়েনা-গন্ধেগোকুল জুটি। তাদের মিলনের চরম মুহূর্তে বাঘ=সিংহের হুটোপুটি লেগে গেলো। হায়েনা বিরক্ত হয়ে গাছের কোটর থেকে মাথা বের করা মাত্রই চোখ গেলো বাঘের গোপনাঙ্গে, বাঘ ফেচাং করে মুতনকর্ম সম্পাদন করছিলো , এই হায়েনা ছিলো আবার নেকড়ে দলের চর, তাই সে সাথে সাথে ফটুক খিচে নিলো, পোলারয়েড ক্যামেরার ছবি, সাথে সাথে নাঙ্গু বাঘের গোপন ছবি দেখেই গন্ধগোকুল হেসে আকুল, এই জিনিষ বাঘের, এই পুরুষত্ব নিয়া ঐ আমারে ঐ দিন বৈচি গাছের চিপায় আটকাইছিলো? হো হো হো হো হো।
হায়েনা হাঁ করে তাকায় থাকে, এই নটী বলে কি, আমার লগে এত দিনের প্রেম এখন কয় কি না বাঘ ওরে আটকাইছিলো বৈচি গাছের চিপায়?

হায়েনার মেজাজ এমনিতেই খারাপ ছিলো, মদনবাণে জর্জরিত অবস্থায় তাকে সঙ্গম নিরত হতে হয়েছে, এর উপর এই গন্ধগোকুলের ফিচকেমি। সে ঘাড় কামড়ে ধরে গন্ধগোকুলের, বল বল শালী কি হইছিলো বল?

গন্ধগোকুল একটু মাইন্ড করে বলে ,এই বুঝি তোমার প্রেম, এই তোমার আমার উপরে বিশ্বাস, আমি অবলা নারী বাঘের সাথে যুদ্ধ করে পারি, তারপরও ঐদিন বাঘের গায়ে মুতে দিছি, ঐ গন্ধ এখনও পাইবা বাঘের গায়ে, মুরোদ থাকে তো ওর পাছায় নাক ঠেকিয়ে দেখো।

ফিচকেমি রাখ শালী আগে বল কি হইছিলো, নাতো তোর এক দিন কি আমার এক দিন, যদি উলটাপালটা কিছু করে থাকিস তাইলে আইজকাই তোরে তালাক দিয়া নতুন কইরা ব্যাচেলরের খাতায় নাম লিখাবো।

গন্ধগোকুলের গল্পঃ আমি আসতেছিলাম শিয়ালের সাথে দেখা করে, শিয়ালকে চিনছো তো তোমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ও আবার বনমোরগের রোষ্ট করছিলো আমি রেসিপি আনতে গেছিলাম ওর ওখানে, তো ও রেসিপি দিবে না, সকালে গেলাম দুপুর গেলো, তাও রেসিপি দেয় না।ঐ দিকে তুমিও ছিলে না, আমি ঘরে যা ছিলো সব দিলাম, শিয়াল আমাকে বললো একেবারে রান্না করার পদ্ধতি শিখাবে, এই রান্না নাকি তোমার খুব প্রিয়, রেসিপি দিয়ে সবটা বোঝা যাবে না, তার পর শিয়াল খোয়ার থেকে একটা বনমোরগ ধরে আনলো।তারপর আমার সামনে ঐটাকে ন্যাংটা করলো, করে সারা গায়ে তেল মরিচ মাখালো, এর পর আমাকে বললো এখন এই বনমোরগকে উত্তেজিত করতে হবে, এই বলে সে বাৎসায়নের সবকটা কৌশল প্রয়োগ করলো আমার উপরে, আমি তো অবশ বিবশ তখন, সবটা মনে নাই, যখন একটু হুশ হলো তখন দেখি বনমোরগ টানটান হয়ে আছে আর শিয়াল ওর পিছনে শিক ভরে ঐটাকে রোষ্ট করতেছে, ঐ রোষ্ট দিয়েই তো পরশু রাত্রে খেলে, তা আমি ঐ রোষ্ট নিয়ে আসতেছি, তখন সন্ধ্যা ঘনায় ঘনায়, হঠাৎ কোথাথেকে বাঘ এসে হামলে পড়লো আমার উপরে, নিয়ে গেলো টেনে বৈচি গাছের চিপায়, আমিতো চিৎকার করতেছিলাম হেল্প হেল্প, বাঘ গম্ভির মুখে বললো সাহায্য লাগবে না, আমি একাই তোমাকে ধর্ষন করতে পারবো।

আমি ভাবলাম সত্যি সত্যিই করতে পারবে কিন্তু কথা বলতে বলতে নেতিয়ে গেলো বাঘ, আমিও ওর গায়ে মুতে চলে আসলাম, এখন দেখে বুঝলাম এই জিনিষ নিয়ে ঐ এত বড় বড় কথা বলে।

হায়েনার উপলব্ধি, হায়েনা মন খারাপ করে কিছু ক্ষন বসে থাকে, তার পর তোর সাথে আর একটা রাতও কাটাবো না বলে মাথা বের করার চেষ্টা করা মাত্রই কানের পাশে সাঁই করে একটা শব্দ হয়, মাথা সামলে দেখলো সিংহ মামা থাবা দিয়ে গাছের গুড়িতে সিগনেচার দিচ্ছে, হায়েনাকে দেখাই হালুম করে উঠলো সিংহ, যা বললো তার অর্থ এই রকম, এই গাছের গুড়ি এখন তার দখলে অতএব তাকে ট্যাক্স দিতে হবে সরকারি সম্পদ ব্যাবহারের জন্য।

হায়েনার দিন আনি দিন খাই অবস্থা, কি ভাবে এই ট্যাক্স পরিশোধ করবে সে, সিংহ কানে কানে একটা কিছু বললো হায়েনা কে, হায়েনার নাকের ডগায় লাল হয়ে গেলো লজ্জায়, পরে হায়েনাকে দেখা গেলো ল্যাজ তুলে শিরিষ গাছের নীচে দাড়িয়ে, এবং তার ঠিক পিছনেই সিংহ, এই বিষয়ে বিস্তারিত বর্ননা দেওয়া যাবে না এখানে, যাই হোক মাথা নীচু করে হায়েনা ফিরে আসলো কোটরে, এবং গন্ধগোকুলের কোলে আছড়ে পড়লো, মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই তোমার আমর সতীত্বের গর্ব নষ্ট হয়ে গেলো। এসো আমরা বিয়ে করে ফেলি।
তারা বিয়ে করলো পরের শনিবার। এবং এর ৩ সপ্তাহ পরেই গন্ধগোকুলের ঘর আলো করে জন্মালো এক বিচিত্রবীর্য প্রানী, এর গায়ে ডোরা কাটা, ঘারে কেশর, ফোলা ফোলা ল্যাজ আর দাঁতগুলো হায়েনার মতো, গায়ের গন্ধটা ঠিক মায়ের মতোই, আর কোথায় যদি ভুলেও মুতে দেয় সেই জায়গার চৌদ্দ মাইল আশেপাশের লোকজন অসুস্থ হয়ে যায়।
এই খবর পেয়ে বিড়াল তার বাক্সের ছবি সহ গন্ধগোকুলের গৃহে আগমন করে। বাক্সটাকে পূর্বমুখে ঝুলিয়ে দিয়ে বলে গডের ইস্পিশাল অনুগ্রহ আছে তোমার উপরে মা, একটা পাশ ফিরে শোও তো মা আমি একটু ভালো করে দেখি তোমাকে।

বিস্তারিত বর্ননায় গেলাম না, পরবর্তি ঘটনাগুলো ফ্রিজ শটে পেশ করি।
সেই বিচিত্র বীর্য প্রানীটা বেড়ে উঠলো নিজের নিয়মে।
শয়তান ফাঁকি মেরে প্রথম পাতাল থেকে ফুচকি দিয়ে প্রবেশ করলো সেই বনে।
বিড়াল বৃদ্ধ হলো, তার সফেদ দাড়িতে মেন্দি লাগিয়ে সে ওহ গড ওহ গড করে এখন নদীর ধারে বসে।
বাঘের সীমানাপ্রাচীর ধ্বসে গেছে, বাঘও বৃদ্ধ হয়েছে, সে এখন নাদির ধারে ইশকুল খুলেছে, সেখানে টেলিস্কোপ লাগিয়ে সে মাঝে মাঝে আসমান দেখে আর হুঁ হুঁ করে কাঁদে।
সিংহ এখন সমস্ত বনের দখল নিয়েছে, তার অনুচরও বেড়েছে অনেক, জঙ্গলের সকল প্রানী দিনে রাতে তার জন্য খাবার নিয়ে আসে, ওটা ঘুষ না, ওটা শ্রদ্ধার নিদর্শন।
নেকড়ের অনুগত হায়েনা এখন সিগনহের দলে, নেকড়েও দল বদল করে সিংহের আনুগত্য মেনে নিয়েছে, তারা দুজনেই এখন পালা করে ভেট খায়।

এই সময় আবার দেখা গেলো বিড়ালকে দাড়ি ঘষতে ঘষতে কদম গাছের নীচে আসন গড়তে,এবার তার পিছনে ঝাড় বাত্তির ছবি, সে বিচিত্রবীর্যকে গডের সেনাপতি ঘোষনা দিলো। বিচিত্রবীর্যে কদর বাড়লো শতগুন, শয়তান এসে সেজদাহ করলো বিচিত্র বীর্যকে।
বাঘ-সংহ নেকড়ে সবাই বিচিত্রবীর্যকে তোয়াজ করে চলে এখন, সবাই ভেটের একটা অংশ তাঁর জন্য আলাদা করে রাখে, বিচিত্রবীর্য নিয়ম করে নির্যাতন করে বাঘ-সিংহ-নেকড়ে- শেয়াল- সব জাতের নারীদের। তার কোনো কিছুতেই অরুচি নেই, এদের গর্ভে অনেক সন্তান হলো বিচিত্রবীর্যের। অবশেষে একদিন এক গর্দভের সাথে দেখা হলো বিচিত্রবীর্যের । সেই গর্ভবের প্রেমে পড়লো সে, বুড়া বয়েসের প্রেম, উথাল পাতাল। কিন্তু সামলে রাখতে পারে না সেই গর্দভীকে , তাই বিচিত্রবীর্য নিয়ম ঘোষনা করলো, এখন থেকে সকল নারীকূল আলাদা আলাদা থাকবে, তাদের বনে প্রকাশ্যে ঘুরতে দেখা গেলো পেঁদিয়ে চামড়া ছুলে ফেলা হবে, এটাই গডের নিয়ম,এখন থেকে এই আইন বলবত হলো। আর সবাই গর্দভীকে মাতৃজ্ঞান করবে, সেজদাহ করবে সকাল বিকাল।

সেই গর্দভের গর্ভে যেসব ছেলে পুলে জন্ম নিলো বিচিত্রবীর্যের তাদের মধ্যে অনেক দুষন ঘটেছে, সেই ইতিহাস বলতে গেলে রাত ভোর হয়ে যাবে, তাই ছেলে পুলেদের একটা উজ্জল প্রজাতি পুলিশের কথা বলি। এদের ভিতরে হায়েনার দাঁত, শেয়ালের চাতুর্য গন্ধগোকুলের দুষন, এবং বিচিত্রবীর্যের উদ্ভট যৌনাচার বিদ্যমান। এদের গায়ের চামড়া এত বিষক্ত যদি কাউকে ভুলেও ছুয়ে দেয় সাথে সাথে ধনুষ্টংকার হয়ে বাঁকা হয়ে যায় সেই জন। পুলিশ কিভাবে আসলো এই গল্পটা পরে বিশদ ব্যাখ্যা করে বলবো, আপাতত এইটুকু জেনেই খুশি হও জনগন যে এই প্রজাতির জন্মের সাথে সাথেই সপ্তম আসমান থেকে শয়তান নীচে নেমে এদের সেজদাহ করে, এবং এই সেজদাহ করার খেসারত হিসেবে শয়তানের ইডেন গার্ডেনে বসবাসের লীজ শেষ হয়ে যায়,তাকে বহিস্কার করা হয় এবং এর পর থেকে শয়তান পুলিশের ঘাড়ে বসবাস করছে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:১৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ

লিখেছেন সামিউল ইসলাম বাবু, ০৬ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৫

আমার ভালোলাগা কিছু ছবি নিচে শেয়ার করা হলো। একটা আায়াত জানলেও তা অপরের কাছে পৌঁছে দাও(আল-হাদিস

পৃথিবীতে কেও আপন নয়। একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা ব্যতিত। তাই ভালো মন্দ সকল বিষয়েই কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার বেঁচে আছে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২





আপনার মা/বাবা বেঁচে থাকলে আপনি এখনো সৌভাগ্যবান -এরকম ভাবনা হয়তো ৯৮ ভাগ মানুষ ভাবে। মা/বাবা নিয়ে মানুষের ইমোশন, সংগ্রাম নিয়ে সবাই কিছু কিছু লিখতে পারবে, বা মুখে বলতে পারবে। গোর্কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখালিখি হতে পারে আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করার খোরাক।

লিখেছেন মাধুকরী মৃণ্ময়, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×