somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

যে বাহিনীর প্রতিটি সদস্যই স্পেশাল ফোর্স.....

২০ শে অক্টোবর, ২০২৫ সকাল ৮:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দুনিয়ার প্রতিটি ইউনিফর্ম পরা বাহিনীতেই থাকে একটা স্পেশাল ফোর্সেস-
যারা আলাদা প্রশিক্ষণ নেয়, বিশেষ পোশাক পরে, উন্নত সরঞ্জামে সজ্জিত থাকে। তাদের বাসস্থান আলাদা, বেতন ভাতা আলাদা, জীবনযাপনও আলাদা।
কিন্তু পৃথিবীতে একটিমাত্র বাহিনী আছে,
যাদের কোনো স্পেশাল ফোর্সেস নেই।

কেন জানেন?
কারণ এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যই নিজেই একেকজন স্পেশাল ফোর্সেস।

অন্য বাহিনীগুলোতে সংকট মোকাবিলায় ডাকা হয় বিশেষ টিম। আর এই বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি মুহূর্তেই সংকটের মাঝেই বেঁচে থাকেন।
তাদের নিয়মিত ডিউটি মানেই জীবন বাজি রাখা,
তাদের দৈনন্দিন কাজ মানেই মৃত্যুকে ছুঁয়ে ফেরা।



এই ব্যতিক্রমী বাহিনীর নাম- ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
তাদের চাকরির প্রথম দিন থেকেই শুরু হয় এক অবিরাম যুদ্ধ-
আগুন, ধোঁয়া, ধ্বংসস্তূপ, দুর্ঘটনা আর মৃত্যুর বিরুদ্ধে।
মানু- জীবন - মাল বাঁচানোর তাগিদে তারা ছুটে যায়-
যেখানে মানুষ ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায়,
সেখানে তারা বুক চিতিয়ে সামনে দাঁড়ায়।
কোনো বিপর্যয়ের খবর মানেই তাদের আহ্বান,
আর আহ্বান মানেই জীবন উৎসর্গের প্রস্তুত
এই বাহিনীর সদস্যদের জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডই দায়বদ্ধ মানবতার প্রতি। তারা বাঁচায় জীবন, রক্ষা করে পরিবার, ফিরিয়ে আনে আশার আলো।

তাই আপনার আশেপাশে যদি কোনো ফায়ার সার্ভিস সদস্যকে দেখেন-
তাকে শুধু সম্মান জানাবেন না, তার জন্য দোয়া করবেন।
কারণ আপনি, আমি, কিংবা আমাদের প্রিয়জনরা
যদি কখনো ভয়ংকর দুর্ঘটনায় পতিত হই,
তাহলে হয়তো এই মানুষটিই,
নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে,
আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের বাঁচাতে আসবেন।

তাদের কাছে কর্তব্য মানে শুধু দায়িত্ব নয়-
এটা এক পবিত্র ত্যাগ, এক মহিমান্বিত প্রতিজ্ঞা।
জীবন বাজি রাখাই যাদের জীবন।

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বশীলতা নিয়ে এমন একটা লেখা বছর আগে লিখেছিলেন সাবেক সেনাকর্মকর্তা ক্যাপ্টেন রাজীব হোসাইন(★)। আমি সেই লেখাটা মনে রেখে নিজের মতো লিখেছি।

(★) ক্যাপ্টেন রাজীব হাসানঃ গুম নির্যাতনের শিকার। যাকে শেখ তাপসকে হত্যা পরিকল্পনার কল্পিত অভিযোগে ১১ মাস গুম করে রাখে। অতঃপর কোর্ট মার্শাল নামের প্রহসনের বিচারে আরও চারজন সেনা কর্মকর্তার (কমান্ডো মেজর হেলাল, কমান্ডো মেজর রেজা, কমান্ডো ক্যাপ্টেন রাজীব, কমান্ডো ক্যাপ্টেন সুবায়েল, কমান্ডো ক্যাপ্টেন ফুয়াদ) সাথে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়ে জেল বন্দী করে রেখেছিল।

প্রকৃতপক্ষে, ক্যাপ্টেন রাজীব সহ উল্লেখিত চারজন তরুণ অফিসার পিলখানা বিডিআর ম্যাচাকারের ঘটনায় ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনার সময় থেকে পিলখানা বিডিআর গেইটে কমান্ডো ইউনিটকে ডেপ্লয় করা হলেও শেখ তাপসের নির্দেশে তাদেরকে উদ্ধার অভিযান করতে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। তখন উক্ত পাঁচ অফিসার তাপসের নির্দেশ অমান্য করে অবরুদ্ধ সেনা কর্মকর্তাদের উদ্ধার করতে কমান্ডো ইউনিটকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু উর্ধতন কমান্ডারের নির্দেশে অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। তারপর সংসদ সদস্য শেখ তাপসের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ততকালীন বিজিবি ডিজি ব্রীগেডিয়ার জেনারেল মাইনুল ইসলাম এর নির্দেশে ডিজিএফআইয়ের হাতে গুম হন। অতঃপর কোর্ট মার্শাল নামের প্রহসনের বিচারে আরও চারজন সেনা কর্মকর্তার সাথে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়ে জেল বন্দী করে রেখেছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০২৫ সকাল ৮:৫২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



শেখ হাসিনা ভারত চলে যাওয়ার পর, দেশের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়।
ক্ষমতায় আসেন, ইউনুস। ইউনুস ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর সারা দেশ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। দেশের সমস্ত খারাপ লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল, ড. ইউনূস, আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি ও এলিট তৈরির কারখানা - আমাদের শিক্ষা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ট্রাম্পের সাথে করমর্দনের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছবিটি ঘিরে অনেকে অনেক মন্তব্য করেন। বছরের শুরুতে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×