গত কয়েকদিন ধইরা মুসা ইব্রাহিমের রোমাঞ্চকর এভারেষ্ট জয়ের গল্প পড়তে পড়তে মাথায় নয়া ভুত ঢুকছে । ভাবলাম মুসা ইব্রাহিম হিমালয় জয় করতে পারছে আর আমি কিনা ঘরে বইসা বইসা ঝিমাইতাছি । ভাবতে ভাবতে ঠিক কইরা ফালাইলাম যে আমারও কিছু একটা করতে হবে । তাই ঠিক করলাম ট্রেকিং এ নাইমা সাভার জয় করমু অর্থাৎ আমার বাসা মিরপুর থাইকা সাভার পর্যন্ত হাইটা যামু। পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে ঠিক করলাম সপ্তাহে দুই দিন অফিস শেষে গুলশান থাইকা মিরপুর পর্যন্ত হাইটা যামু । এতে হাটাও হইল সাথে ভুড়ির সাইজটাও যদি একটু কমে
যেই ভাবনা সেই কাজ । গতকাল দূপুরেই পুরানো বাটা ব্র্যান্ডের কাপড়ের জুতা জোড়া বের করে ধুয়ে ফেললাম । প্ল্যান ছিল এখন থেকে অফিস হতে ফেরার সময় কাপড় পরিবর্তন করে টি-শার্ট আর কাপড়ের কেড্স পড়ে হাটতে হাটতে বাড়ি ফিরবো । তাই প্ল্যান অনুসারে আজকে সকালে অফিসের ব্যাগের সাথে এক জোড়া কেডস, একটা ট্রাউজার এবং টি-শার্ট একটা এক্সট্রা ব্যাগে নিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম ।
মিরপুর ১০ নাম্বার আইসা অনেক দৌড় ঝাপ কইরা একটা মাইক্রোবাস পাইয়া গেলাম, ঐ গাড়িতেই ছিল আমার এক কলিগ । তার কাছে হেব্বি ভাব লইয়া কইলাম যে আমি আজকে গুলশান থাইকা মিরপুর পর্যন্ত হাইটা যামু আর গুলশান জয় করমু । মানে যেহেতু মিরপুর আমার বাসা তাই এইটা হইবো গুলশান জয় । উনিতো অনেক উৎসাহ দিলেন । বস্তা ভরা উৎসাহ নিয়া গল্প করতে করতে এক সময় গুলশান পৌছাইয়া গেলাম। গাড়ি থাইকা নামার পর মনে হইল কিছু একটা মনে হয় আমার সাথে নাই । এএএএএএএএ আমার কেডস, ট্রাউজার আর টিশার্টের ব্যগ কই গেল
আজকার মতো আমার গুলশান জয়ের অভিযানও স্হগিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


