মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় একটু বেশি দাগায়া ফেলছিলাম ভুল কইরা। এই ভুলের মাশুল দিতে আসা লাগছে অচেনা ঢাকায়; জীবনেও শুনি নাই এমন হিব্রু টাইপ ইংরেজিতে পড়া লাগছে এনাটমি, প্যাথোলজির মত বিষয়; কয়টা উপস্থিতি কম থাকলেই দুই দিন পর পর ক্লাস করা লাগে জুনিয়র ব্যাচের সাথে; হুটহাট ফেইল করা তো পরের কথা, পরীক্ষায় বসতে না পাইরা অনেক বন্ধুই পিছাইয়া গেছে; আজীবন ৮০ পাওয়া নিয়া চিন্তা থাকলেও এখন পাশ মার্ক ৬০ ই পাই না সহজে; একই বিষয়ে বছরের পর বছর ফেইল কইরা যাইতেছে আশেপাশের মানুষ; দুর্গন্ধযুক্ত হাসপাতাল ওয়ার্ডে যেখানে স্বাভাবিক মানুষ ৩০ মিনিট থাকতে পারেনা, সেইখানে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়াইয়া থাকা লাগে; মরা মানুষের শরীর হাতাইয়া, রোগীর পাছায় আঙুল দিয়া, বিচি ধইরা নাড়াচাড়া কইরা আবার হাত ধুইয়া ওই হাত দিয়া ভাতও খাওয়া লাগে; একটু ভুলভাবে বিচি ধরলে কিছু শিক্ষকের কাছে ‘কুত্তার বাচ্চা’ গালিও শোনা লাগে; এতসব কইরা কমপক্ষে পাঁচ বছর পর যখন নামের বাম পাশে ডাক্তার বসামু, তখন থেকে আমি তোমাদের ভাষায় হব সার্টিফাইড কশাই। এত গালির পরও দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আমরা কশাইরাই তোমাদের মত ভদ্রলোকের চিকিৎসা দিব দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা একটা টাকা পারিশ্রমিক না পাইয়াও এইচএমও হিসেবে, সরকারি দলের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো পূরণের হাতিয়ার হিসেবে বিসিএস-অ্যাডহকের নামে আমরা দেশের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সেবায় দায়িত্ব পালন করব বছরের ৩৬৫ দিন, অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত চেয়ারম্যান-মেম্বার এর হাতে মাইর খাইয়াও চিকিৎসা দিব আমরা কশাইরাই। দাও ভাই আরো গালি দাও, দিতে দিতে মুখ ব্যাথা করলে বইল। একটা পেইনকিলার ব্যবস্থা কইরা দিব। আরো ভাঙো প্রতিদিন সারা বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসা দেয়া ঢাকা মেডিকেলের ইমারজেন্সী। ভাঙতে গিয়া হাত-পা কাটলে বা ফ্রাকচার হইলেও চইলা আইসো লুকাইয়া এই ইমারজেন্সিতেই। চুপচাপ একটা এক্স-রে কইরা তোমারে টি.টি টিকা দিয়া দিবো; সেলাই লাগলে সেলাইও দিব; ওষুধ কেনার টাকা না থাকলে আমরাই টাকা যোগাড় করে দিব; আর বাই চান্স রক্ত লাগলেও সমস্যা নাই, সন্ধানী থেকে বিনামুল্যে রক্তও ব্যবস্থা করে দিব। সুস্থ হইয়া বের হইয়াই আরেকবার কশাই কইয়া গালি দিয়া যাইও। ওইটারেই কমপ্লিমেন্ট মনে কইরা নিব।
স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।