গত বছর সাভার দুর্ঘটনা ঘটে যাবার পর ১ মে তারিখ উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া সেনা কর্মকতা যখন বলেছিলেন, মৃতের সংখ্যা ৪১১ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ১৪৯ (সূত্র: বাংলা টাইমস২৪.কম), ঠিক তখনই আমরা প্রথম আলোর প্রথম পাতায় স্পষ্ট করে দেখতে পারছিলাম লাশ উদ্ধার ৩৮৮, নিখোঁজ ১০০০। সেই সেনা কর্মকর্তা এটাও দাবী করেছিলেন যে অন্যান্যদের করা হিসাবে ভুল আছে, কারণ তাদের লিস্টে একই নাম বেশ কয়েকবার এসেছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে ১১ মে তারিখের প্রথম আলো পত্রিকার খবরটির হেডিং ছিল মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।
আর আজ ২৭ ডিসেম্বর প্রথম আলো.কমের মাধ্যমে জানতে পারি, বেলা আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মহা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান সাংবাদিকদের জানান তাদের নামানো ক্যামেরায় পাওয়া ছবিতে কোন শিশুর অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি। শিশুটির কান্না শুনা যাবার ঘটনাকে প্রতিধ্বনি বলে চালিয়ে দেন তিনি। তার ঘোষনা অনুযায়ী উদ্ধার কাজ সমাপ্ত হবার পরপরই সাধারন মানুষরা শিশু জিহাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
দু বছরের দুটি ঘটনা, না চাইলেও, আমাদের মনের ভেতর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের উদয় হয়। তাদের সবাইকে অযোগ্য ও অদক্ষ বলে বিবেচনা করে আমরা আতংকিত বোধ করতে থাকি। বিপদকালীন সময়ে যারা আমাদের ত্রাণকর্তা হিসেবে অবতীর্ন হবেন তারা নিজেরাই যখন নিজেদের অদক্ষতাকে জনসমক্ষে এভাবে প্রমানিত করেন তখন ভয় পাওয়া ছাড়া আমরা আর কিইবা করার থাকতে পারে!
এমন অদক্ষতার কারন আমাদের অতি শিগ্গির খুঁজে বের করতে হবে। নয় তো জাতি হিসেবে এ পৃথিবীতেএকদিন আমাদের কোন অস্তিত্বই থাকবে না- এটা নির্দি¦ধায় বলা যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

