somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের সময় কি একটি পত্রিকা নাকি গুহামানবের মুখপাত্র

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই রকম লিখা ছাপার
অক্ষরে দেখব বাংলাদেশের কোন পত্রিকায় স্বপ্নেও ভাবি নাই। ছি...
লিংক


একটি ধামা চাপা পড়ে যাওয়া খবর।শেষ পর্যন্ত রাত দশটার পরেও হলে ফেরার পারমিসন পেল জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটির ছাত্রীরা।
একসময় পশ্চিমাদের শেখানো বুলি মতে এদেশের কিছু মোডারেট নারীরা বলতে লাগল শুধু পুরুষকে নয় নারীকেও শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে।যেন তেন শিক্ষা দিলে হবে না এমন শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে যেনো তারা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে এতে যদি তারা বিয়ের বয়স পেরিয়ে বুড়ি হয়ে যায় যায় যাক।আমাদের দেশের সরমলমনা ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ বাবা মারা সেটা মেনে নিল।তারা ভাবল মেয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বংশের নাম ফুটাতে পারে সেটা কি চাট্টেখানি কথা?
সেই থেকে তারা ছোট ছোট বাচ্চাদের শিখাত বড় হয়ে ডক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে।
ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে গিয়ে এই সমাজের মেয়েরা বিবাহ বঞ্চিত হয়ে গেল। ২৪-২৫ বছর পর্যন্ত অবিবাহিত থাকা যেন এই সমাজের সাভাবিকতা।কিন্তু জন্ম গতভাবে একজন মেয়ের বিয়ের বয়স হয় ১৩-১৪ বছরে।অনেকের এর আগেও হয়।মানূষ তো গরু নয় মানুষ তো মানুষ।সে কিভাবে সঙ্গী ছাড়া ১০-১২ বছর কাটাবে অতচ স্রষ্টা তাকে সেমন ভাবে তৈরী করেছেন যে সাবালক/সাবিলিকা হওয়ার পর সে সঙ্গী ছাড়া থাকতে পারবেনা।
বিবাহ হবে না তাই বলে সঙ্গী ছাড়া থাকতে হবে এটা কি হয়? তাই প্রত্যেকেই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে গিয়ে একজোড়া সঙ্গী যোগার করল বিয়ে হচ্ছে না তাতে কি।সমাজ যখন বিয়ে ছারাই একে অপরের রিলেসন মেনে নিচ্ছে তারা সুযোগ হাতছাড়া করবে কেন?
ধর্ম কে বুরো আঙ্গুল দেখিয়ে শিক্ষা নিতে যাওয়া কলেজ ভার্সিটির ছেলে মেয়েরা স্বামী স্ত্রির মত চলাফেরা করছে।কেউ কিছু বলছেনা। স্বামী স্ত্র্রীর আসল কাজই তো শুরু হয় রাত দশটার পরে।কিন্তু দশটার পরে হলের গেট বন্ধ করে দিলে কিভাবে কি হবে?
তাই তারা দাবী তুলল দশটার পরেও গেট খোলা রাখতে হবে।সমাজ সেটাও অকপটে মেনে নিয়েছে।
এটাও কিন্তু অসুবিধার।এভাবে এক হল থেকে যাওয়া আসাও কিন্তু কষ্টকর।এরপর হয়ত দাবি উঠবে ছেলে মেয়েকে এক হলেই রাখতে হবে।সবই যখন সাভাবিক হয়ে গেছে এটা সাভাবিক হতে খুব বেশি সময় লাগবে বলে মনে হয় না।
এই যে শিক্ষার নাম বিয়ে প্রথাকে উঠিয়ে দিয়ে ব্যভিচাররের প্রচলন,প্রত্যেক ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো, এক শ্রেনীর লোক ব্যাপারটাতে খুবি মজা পায়,কারো কাছে হয়ত এটা কোন ফ্যাক্টরই না।কা্রাে কাছে বিষয়টা খুবি সাভাবিক।
আপনিও যদি ভেবে থাকেন এতে ইসলামের বিশাল লস হয়ে গেল আপনিও কিন্তু গাধামি চিন্তায় ডুবে আছেন।শিক্ষিত হতে গিয়ে এই সমাজের নারীরা একসময় পচে যাচ্ছে।উচা নিচা বাকা হ্যাবা ড্যাবড়া হয়ে যাচ্ছে।পচা মালগুলি সমাজের লোকেরাই ইউজ করে ।এদের ইসলামের কোন প্রয়োজন নেই।ইসলাম এদেরকে চেয়েছিল রাণির মত বসে খাওয়াতে সে পথ রেখে তারা পচা হওয়াকেই বেছে নিয়েছে।অবশ্যই ধোকায় পড়েই করেছে।ধোকাটা অবশ্যই দুনিয়া চাওয়ার কারনেই,যারা পরকাল চাই তারা কখনও ঠগে না। কিছু কথা স্ট্রেইট বলতে হল,কারন নীরবতাকে অনেকে দুর্বলতা মনে করে।সরি ফর দ্যাট।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০৩
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×