১৯৭০ সালের অক্টোবরের ৬ তারিখ। বিলি হায়েস নামের এক আমেরিকান ছাত্র তুরস্কের ইস্তানবুল এয়ারপোর্টে থেকে মাদক পাচারকালে ধরা পড়ে কাস্টম কর্তাদের হাতে। পরিণতিতে ঘটে হাজতবাস। দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে গিয়ে মুখোমুখি হয় এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতার। সেখানে কারাগার নিয়ন্ত্রণকারী হিসাবে পায় এক বদমেজাজি-সমকামি কারারক্ষিকে। কিছু থেকে কিছু হলেই বন্দীদের উপর নেমে আসে অসহ্য মানসিক, শারীরিক ও যৌন নির্যাতন। এভাবেই শুরু হয় বিলি হায়েসের এক বিভীষিকাময় জীবন। একই কারাগারে পরিচিত হয় কিছু বন্দীর সাথে। তাঁদের নিয়ে আঁটতে থাকে পালানোর পরিকল্পনা। কিন্তু সেটা এতোটা সহজ নয়। মারাত্মক বিপদের পাশাপাশি আছে জীবন হারানোর ঝুঁকি। তাঁরা কী পারবে পরিকল্পনা সফল করতে? জানতে হলে দেখে ফেলুন মুভিটি।
বিলি হায়েস নিজে এই ঘটনার উপর উপন্যাস লিখেন এবং অলিভার স্টোনের সাথে চিত্রনাট্য তৈরি করেন। অ্যালান পার্কার পরিচালিত মুভিটিতে ‘বিলি হায়েস’ নামের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন ‘ব্রাড ড্যাভিস’। এছারাও ছিলেন ইরিন মিরাকল, বো হপকিন্স ও পাওলো বোনাচেলি। ভুক্তভোগী ‘বিলি হায়েস’ নিজেই যেহেতু বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কাহিনী লিখেছেন সেহেতু তুরস্কের কারাগারের ভয়ানক ও বাস্তব অবস্থা মুভিটিতে ওঠে এসেছে। ১২১ মিনিট দৈর্ঘের বায়োগ্রাফি-ক্রাইম-ড্রামা ঘরানার মুভিটি দুইটি ক্যাটাগরিতে অস্কার ও অন্যান্য ১৪টি পুরস্কার অর্জন করে।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



