somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেনাবাহিনী চালাচ্ছে আনসার!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাবার চাকরিসূত্রে, সিএমএইচ থেকে সুবিধা পেয়ে থাকি আমি। এলপি থেকে মেডিসিন কালেক্ট করতে গিয়ে দেখলাম বিরাট লাইন। লাইনে দাঁড়ালাম। পিছে একজন মুক্তিযোদ্ধা চাচা এসে দাঁড়ালেন। সবুজ পাঞ্জাবির উপর মুক্তিযোদ্ধার কোটপিন পড়েছে দেখলাম। চাচা লাইনের একদম প্রথম ব্যক্তির কাছে গিয়ে বললো, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হোক। সেই ব্যক্তি তাকে পাত্তা দিলো না। পরে চাচা লাইন এর পিছনে গিয়ে ভাষণ শুরু করলেন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকথার উপরে। যতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম ততক্ষনই ভাষণ চললো। ভাষণের মধ্যে চাচা জানালেন তার এক নাতি আনসারের "নায়েক"। তার বকওয়াস শুনতে মজাই লাগতেছিলো। আরো মজা নেয়ার জন্য জিজ্ঞেস করলাম, "চাচা, আনসার কি দেশ স্বাধীন করছে নাকি।"
"আরে, আনসারই তো আর্মির মেইন পার্ট। এগোর জন্যেই তো আর্মিরে এতো টাকা দিতাছে সরকারে। দেশটাতো টিক্কা আছেই এদের লাইগ্গা।"
-- বাণীতে চাচা।
এলপির কাজ সেরে গেলাম ফার্মেসী ডিপো তে ঔষুধ নিতে। ঐখানেও বিরাট লাইন। ১ ঘন্টা দাঁড়াই আছি। কানে হেডফোন গুঁজে গান শুনতেছিলাম। তাও একঘেয়ে লাগতেছিলো। হুট্ করে দেখি আমার হাতের ঔষুধের প্রেসক্রিপশন একজন টান মারলো। পাশে তাকে দেখলাম এক আনসার আমার প্রেসক্রিপশন পড়তেছে। আমার মেজাজটা গেলো গরম হয়ে। প্রেসক্রিপশন টান মেরে কেড়ে নিলাম। বললাম, "মিয়া, আনসার হয়ে জেসিওর সাথে দুর্ব্যবহার করতেছো? তোমার দোস্ত লাগি?" আমি খালি আগুনে ঘি টা ঢাল্লাম। পিছে থেকে এক ওয়ারেন্ট অফিসার তাকে লাথি মেরে বসলো। পরে সে সরি বললো, মাগার ওয়ারেন্ট অফিসার তারে ধইরা কই জানি নিয়ে গেলো। মানে বুঝলাম না, আনসার হইয়া আমার কাগজ লইব কেন, ওর কামডাই বা কি। বেশি কথা না বাড়ায় নিজের ঔষুধ নিয়ে বের হয়ে পড়লাম। আনসারটা হয়তো চাচার সেই নাতিন ছিল।
-- রুস্তম শেখ কেষ্ট।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:১১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৬



সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুলে যেও

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

" ভুলে যেও "

একটু একটু করে চলে যাচ্ছি গভীর অতলে,
ধীরে সুস্থে হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যাচ্ছি
অনন্তকালের ঘরে।
যেখানে থাকতে হবে একাকি
নি:স্বীম আঁধারে।

ভালো থেক ফুল,পাখি, লতাপাতা,
ভালো থেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নাবিকের মনের নোঙর

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২২

ছুটি শেষে যে নাবিক গৃহত্যাগ করে
ফিরে চলে পোতাশ্রয়ে নোঙর করা
তার জাহাজ পানে, জিজ্ঞেস করোনা
তাকে কখনো তার গন্তব্যের কথা।

তার মনে গেঁথে থাকে ফেলে আসা
প্রিয়জনের কান্নাভেজা মুখ আর চোখ,
বাংলার শ্যামল প্রান্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×