যারা লেখাপড়া শেষ করে আজও বেকার তাদের অনেকের কাছে শিক্ষার মূল্য আগের মত আছে কিনা তাদেরই প্রশ্ন করে দেখতে পারেন ।
আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্ষ বর্ষের ছাত্র একবারও ভাবিনি যে আমাকে চাকরি আর বেকারত্বে ভুগতে হবে আজ বুঝতে পারছি ।
এ জাবত বিডি জব ও ই মেইল থেকে আমি প্রায় ১৫০০ দরক্ষাস্ত করেছি কিন্তু আমাকে সর্বোচ্চ ৪০ টি তে ডেকেছে । ইন্টারভিউতে গেলে অনেক জায়গায় ৫ বা দশ হাজার টাকা মাত্র অফার করেছে যাতে আমি বিব্রত হয়েছি এবং আমি জানি চারিদিকে বেকারদের খেল তামাশা হচ্ছে ।
আমি দুই বছর মেয়াদি একটি এনজিওর প্রজেক্টে ডুকেছিলাম ।সেখানে তিনমাশ পরে চাকরি ছেড়েছিলাম এবং আশ্চর্যব্যপার যে আমার মত আরও পনেরো জন কাজের চাপে চাকরি ছেড়ে হাফ ছেড়েছিল।
সরকারি চাকরিতে কোটার দংশনে আমার সাধারনেরা অতিষ্ঠ।
সরকারি চাকরিতে এত শিথিল নিয়োগ প্রক্রিয়া তা বলা যায় হাস্যকর ---
যেমন - আজ একটা সার্কুলার হল
এক বছর পরে প্রিলিমিনারি
তার ছয় মাস পর প্রিলিমিনারির রেজাল্ট
তার দশ মাস পর রিটেন
তার দশ মাস পর ভাইভা
তার একবছর পর নিয়োগ
অনেকটা এরকম ।
আমি লেখাপড়ে আমার কোন লাভ হয়েছে কিনা জানিনা।
তবে এতটুকু বলতে পারি লেখাপড়ায় পদ্ধতিগত সমস্যা আছে ।
এবং শিক্ষা ব্যবস্থা বেকার তৈরির যন্ত্র ।
একজনকে চাকরির আশায় ত্রিশ বছর চাকরির আশায় বেকার বসিয়ে রাখে ।
অনেকে বলে সরকারি চাকরি বা যেকোন চাকরি টাকা ছাড়া হওয়া কঠিন।
লেখাপড়া আমাদের দাস হওয়ার মনো্ভাব তৈরী করে দেয় । এবং লাখ লাখ বেকার সার্টিফিকেট হাতে ঘরে আর চাকার হওয়ার চেষ্টা করে ।দীর্ঘদিন বেকার থাকা এবং বিয়ে না করার কষ্ট বওয়া বেকাররা আবদ্ধ দুর্দশায় ।
যাইহক আমি পুনরায় জন্ম নিতে যদি পারতাম তাহলে উচ্চশিক্ষিত হতাম না ।
আমি আমার চারপাশে যারা দীর্ঘদিন বেকার আছে তাদের মুখের দিকে তাকাতে পারিনা ।লেখাপড়া দোষ নয় কিন্তু মানুষ যখন অনেক আশা নিয়ে লেখাপড়া করে চাকরি পায় না তার কষ্ট হয় ।
ছোট বেলায় ক্লাস থ্রিতে থাকতে পদ কাকে বলে ? উদাহরন শিখেছিলাম ঐ একই পড়া নাইন -টেন ইন্টামিডিয়েট পার করে বিশ্ববিদ্যালয় পার করেও শেষ হল না এখন পড়ছি চাকরির জন্য ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




