somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইউরোপের বর্ডারে ফুল ফোটে আর আমাদের বর্ডারে গুলি ফোটে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘটনাটি ঘটেছিলো ১৭১৪ সালে। নরওয়েজিয়ান ক্যাপ্টেন আর ইংলিশ ক্যাপ্টেনের মাঝে প্রায় বিশ ঘন্টা ব্যাপি একটানা সীপফাইট হয়। গোলাগুলিতে দুপক্ষেরই যুদ্ধজাহাজ বিধ্বস্ত। কিন্তু সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হলো- নরওয়েজিয়ান যুদ্ধজাহাজের। তাদের গোলাবারুদ শেষ।
এখন কি করা যায়। নরওয়েজিয়ান ক্যাপ্টেন তাঁর এনভয়কে ইংলিশ জাহাজে পাঠালেন। যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করেছেন-সেই খবর জানানোর জন্য নয়। বরং- যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইংলিশ জাহাজ থেকে কিছু গোলাবারুদ ধার করা যায় কিনা -সেটা জানার জন্য।
ইংলিশ ক্যাপ্টেন নরওয়েজিয়ান এনভয়ের দিকে গরম চায়ের কাপ এগিয়ে দিয়ে বললেন- না সেটা যায়না।

গত তিন দশক ধরে হ্যানস আইল্যান্ডের অধিকার নিয়ে কানাডা আর ডেনমার্কের মাঝে প্রায়ই যুদ্ধ হয়। তবে এটা এক অন্যরকমের যুদ্ধ। কানাডা যখন হ্যানস আইল্যান্ডের অধিকার নেয় তখন তারা সেখানে একটা কানাডা ক্লাবের বোতল রেখে দেয় আর সাইন লাগায় ওয়েলকাম টু কানাডা। আর ড্যানিশরা অধিকার নিলে রেখে দেয় একটা ড্যানিশ স্ন্যাপস। আর লিখে রাখে ওয়েলকাম টু ডেনমার্ক। তিন দশক ধরে এই দ্বীপের অধিকার নিয়ে যুদ্ধ চলছে। কিন্তু কোনো গোলা বারুদ ফোটেনি। শুধু ওয়াইন, জুসের বোতল আর সাইন বিনিময়ই হয়েছে।

ইউরোপিয়রা পুরো দুনিয়া লুঠ করে বেরিয়েছে। জলদস্যু ছিলো। পৃথিবীর কোনো জাতিই সভ্য ছিলোনা। ধীরে ধীরে সভ্য হয়েছে। পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া আর কানাডায়। যে জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা যত উন্নত সে জাতি তত বেশী সভ্য। শিক্ষা দীক্ষায় সভ্য বলে এরা মানুষের সাথে ও সভ্য আচরণ করে। শুধু ধনী দেশ বলেই কিন্তু না। পূর্ব ইউরোেপের অনেক দেশগুলোই বেশ গরীব। কিন্তু এই গরীব মানুষগুলো যখন পেটের দায়ে ধনী ইউরোপের দেশগুলোতে প্রবেশ করে তখন গুলি করে মেরে ফেলেনা। দু দেশের দু সীমান্তে পা রেখে এরা জমিয়ে আড্ডা মারে। এদের সীমান্তে ফুল ফোটে আর আমাদের বর্ডারে গুলি ফোটে। এরা বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানের চর্চা করে আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণের ওপর টর্চার করে। সীমান্ত, ক্যাম্পাস দুটোই আজ ভয়ঙ্কর দস্যুদের কবলে।





সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৪
১৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

করোনা

লিখেছেন ম্যাড ফর সামু, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২২




বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ভর্তি হলেন কোন একজন মন্ত্রী মহোদয়, যিনি সিঙ্গাপুর থেকে আক্রান্ত হয়ে দেশে এসে ভর্তি হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ।

তাঁকে আপাতত কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় এসেছে ঘরে ঘরে মুসলিম,হিন্দু ঐক্যবদ্ধ সংঘঠন গড়ে তুলতে হবে

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২০

ভ্স্মীভূত কোরআন এভাবেই মাটিতে পুঁতে রাখছেন স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি[/sb
আজকাল কথায় কথায় ব্লগ সহ প্রায় সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে নানান ধরনের কমেন্টে দেখা যায়,এক পক্ষ আছেন
যারা বিভিন্ন সংঘাত বা ঝামেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্লিজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫


কিছু কথা আছে,
ফোনটা রেখোনা …………প্লিজ।

একা বসে আছি তোমারই অপেক্ষায়,
আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা কিছুতেই
জানো কিনা জানিনা.
বোঝ কিনা বুঝিনা।
আমি সত্যি আর পারছিনা প্রিয়তমা।
আমার ঘেটে যাওয়া জীবনটাতে তোমাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনআরসি প্রতিবাদে মুসলমানদের রাস্তায় নামা কি ঠিক?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০৮



প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেইদিন দিল্লী এলো, সেইদিনটি কি রাস্তায় এনআরসি প্রতিবাদের জন্য "উপযুক্ত দিন" ছিলো? ট্রাম্পের ভিজিট মাত্র ১ দিন, এই দিন সম্পর্কে মোদীর সরকার ও বিজেপি খুবই সেন্সসেটিভ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতের মুসলিমদের উপর অত্যাচার এবং বাংলাদেশে মুজিব বর্ষে মোদির প্রাসঙ্গিকতা।

লিখেছেন রাজজাকুর, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৫

ভারতের Citizenship Amendment Act (CAA) এর উদ্দেশ্য আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিষ্টান এই ছয় ধর্মাবলম্বী অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরকিত্ব দেয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×