কাল রাতের ঝড়ে সামনের লাউমাচাটা পড়ে গেছে । আর এমন ভাবে পড়েছে যে , দেখে মনে হচ্ছে মাটিকে সে কতদিন ধরে কাছে পায় না । তাই তো অসীম মায়াময় ভালবাসা,প্রেম একাকার হয়ে গভীর থেকে আরও গভীরতায় মাটিকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করে নিবিড় থেকে নিবিড়তায় দীর্ঘ চুম্বন দিতে ব্যস্ত । ভাব টা এমন যে,"তোমাকে আমি আর ছাড়ছি না বাবা কতদিন কত যুগ পর কাছে পেয়েছি "। এ চুম্বন যেন শেষ হবে না । সকালে এমন এক র্দৃশ্য দেখে তিয়াসার মনটা কেমন যেন অজানা অচেনা শূণ্যতায় ভরে গেল । তাহলে তো বেশ ঝড় হয়েছে রাতে । সামনের বস্তির একটা ঘরের টিন উড়ে পড়েছে কিছুদূর গিয়ে । ঐতো ধান ক্ষেতের ধান গাছগুলো হেলে পড়েছে । আহারে !! কাল বিকেলেও ওগুলো দাড়িয়ে ছিল বীরদর্পে বুক ফুলিয়ে,আর আজ মুখ থুবড়ে পড়ে আছে অবাধ্য ঝড়ের কাছে পরাজয় মেনে । রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই । মোবাইলে চার্য শেষ । রান্না হয়নি এখনও । পেট টা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে । গতকাল বমিখারাপ লাগতে লাগতে শেষে বমিই করেছে ৪ বার তিয়াসা । কাল কিছুই পেটে থাকেনি। আর তাই হয়ত শরীরটা দুর্বল লাগছে । ফোনটা হাতে নিয়ে নীলয়কে কল দিল রিং হচ্ছে টুউ, টুউ, টুউ এভাবে ৯ বার ,টুউউউ টুউউউ ২ বার বেজে নো অ্যানসার । ঘুমাচ্ছে নীলয় । ঘুমাক এত সকালে কখনও ঘুম থেকে ওঠে না সে । রাতে হয়ত জেগে পড়েছে, ফেসবুকিং, মুভি অথবা গভীর রাত অবধি নতুন প্রেমিকার সাথে গল্প করেছে । হাহ্ নতুন প্রেমিকায় বটে ! নীলয় আর তিয়াসাকে ফোন করে না । এস এম এস করে না । তিয়াসার কোন খবর রাখে না,রাখার প্রয়োজন বোধ করে না,প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে । তিয়াসার জন্য এখন নীলয়ের মনে আর কোন ভালবাসা নেই । কোন দায় নেই,কর্তব্য নেই কিচ্ছুটি নেই এই মেয়েটির জন্য । নীলয়ের জীবনে আজ তিয়াসার কোন মূল্যই নেই । মূল্যহীন মেয়েটা পৃথিবীতে আছে কি নেই তা নিয়েও নীলয়ের কোন মাথাব্যাথা নেই । অবহেলার রাজ্যে বাস করছে তিয়াসা । নীলয়ের এত অবহেলা,অপমান পেয়েও তার কন্ঠস্বরটা শুনতে এতটা উদগ্রীব কেন তিয়াসা ভেবে কোন কুল কিনারা করতে পারে না । নীলয়ের বুকটা এত ভালবাসায় টইটুম্বর যে কয়েকটা প্রেমিকাকেই ভালবাসা দিতে পেরেছে,পারে আর ভবিষ্যতেও পারবে । কিন্তু তিয়াসা তো তার বুকভরা সকল ভালবাসা শুধুমাত্র নীলয়কেই ঢেলে দিয়েছে । কিছু রাখেনি ,এমনকি নিজের জন্যও নয় । তাহলে ??? হ্যা নীলয় ওকে ভালবেসেছিল এটা সত্যি । তবে ঐ ভালবাসাটা ছিল কিছু সময়ের হিসেব নীলয়ের কাছে । ওর জন্য সে কাঁদতো,হাসতো । তিযাসাকে নীলয় তার জীবনের একটা প্রাপ্তি ভাবতো । তিয়াসাই ছিল তার সকল অনুপ্রেরণার উৎস । ঐ সময়টাতে নীলয় তিয়াসাকে ভালবেসেছিল, কিন্তু কিছু ভালবাসা রেখে দিয়েছিল অন্য কারো জন্য । আজ তাইতো তিয়াসা বুঝতে পেরেছে কিছু সময়ের ভাল লাগা,ভালবাসা ছিল সে নীলয়ের কাছে । তিয়াসার জীবনে আজ ঐ সময়টা অমূল্য রতন । খূব যত্ন করে সে সময়টাকে বেধে রেখেছে । ভুলতে পারে না,চাইও না ভুলতে । কখনও পারবে না সে তার ঐ স্মৃতিময়,সুখকর,তৃপ্তির,প্রাপ্তির, ভালবাসার বণ্যায় ভেসে যাওয়া স্বর্ণসময়টাকে হারিয়ে ফেলতে । ওগুলোকে আকরেই যে তিয়াসা আজও বেঁচে আছে । সুন্দর স্মৃতিবিজাড়িত সুখজড়ানো দিনগুলো ছাড়া তার যে আর কিছুই নেই । ওগুলোয় তার বাঁচার একমাত্র অবলম্বন । তিয়াসার সকল ভালবাসাই আজ নীলয়ের কাছে মৃত । অতীতকে নীলয় ভুলে গেছে । ভুলে যাক । ভাল থাক তিয়াসার নীলয় । তিয়াসার বুক থেকে তো কখনও নীলয় নিজেকে কেড়ে নিতে পারবে না । ওখানে যে নীলয়ের বসবাস । এইভাবে নীলয়ের কাছে তিয়াসার হারিয়ে যাওয়া ভালবাসার হয়ত মৃত্যু হবে । নীলয় হত্যা করবে তার সব ভালবাসা । আর একদিন ভালবাসাহীন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করবে হতভাগ্য তিয়াসা ।
মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?
বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন
তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না
আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন
যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....
“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন
সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ
পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।