প্রিয় মোস্তফা জব্বারের উদ্দেশ্যে, যার বুইড়া বয়সে মারাত্তক ভীমরতি দেখা দিয়েছে।
আমি বুঝতে পারছিনা যে অভ্রের ইউনিবিজয় আর ফোনেটিক লেআউট এর প্রতি ওইসব লোকেদের কেন এত আপত্তি। আমার মনটা একদম বিষিয়ে যায় যখন দেখি মোস্তফা জব্বারের মত অভিজ্ঞ লোকেরা অভ্রের বিরুদ্ধে এভাবে নির্লজ্জ ভাবে নিজেদের কলম তুলে নেন। দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার বদলে দেশের মানুষ কে তাদের মায়ের ভাষা বাংলায় কম্পিউটার এ ব্যবহারের জন্য পকেটের টাকা বের করতে বাধ্য করেন। আরে ভাই অভ্র যদি মেহেদি ভাই বিক্রি করতেন তাহলে একটা কথা ছিল। আপনি ওই সব আজেবাজে যুক্তির মাধ্যমে একটা ভাল উদ্যোগ কে এভাবে discourage করবেন আমাদের কল্পনায়ও তা ছিল না।
আপনারা মামলা করলেন অভ্রের বিরুদ্ধে? ছি ছি। কিভাবে পারলেন? একটা বার মনে হল না এই দেশে ৯৩% মানুষ পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে অভ্যস্ত সেখানে ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহারের অভ্যাস অত্যন্ত কাম্য? আপনারই ত উচিত ছিল সবার আগে মানুষ কে উপহার হিসাবে এমন একটি সফটওয়্যার উপহার দেওয়া। তার তো খবরই নাই, খালি খাই খাই ভাব। নির্বাচন কমিশনের কাছে ৫কোটি টাকায় বিজয় বেচতে না পাইরা মাথা গেছে।
যেখানে বিজয় কি-বোর্ড পুরা মুনীর কি-বোর্ড এর নকল, সেইখানে কোন মুখে আপনি ইউনিবিজয় লে-আউট কে পাইরেটেড বললেন? তাইলে national key board তো পুরা বিজয়ের নকল। অইটার বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস নাই বুঝি??আহারে।বেচারা। কোনো লজ্জা শরম নাই আপনার? যারে নরম পান তার গলা টিপে ধরতে চান? তাও যেখানে ইউনিবিজয়ে বিজয় থেকে অনেকগুলো কী তে পার্থক্য। আর একটা কী তে পার্থক্য থাকা মানেই নতুন একটি লে আউট এর জন্ম? (সুত্রঃ বিভিন্ন ব্লগ সাইট)
আশ্চর্য হলাম আপনার দোস্ত কিংবা চামচা আব্দুন নূর তুষার এর বানী শুনে...। উনি বললেন যে ami লিখলে ‘আমি’ হয়ে যায় তাই একদিন হয়ত বাংলা অক্ষর দিয়ে বাংলা উচ্চারন করা থেকে তরুনরা দূরে সরে যাবে। তখন তারা আর বাংলা শিখবে না। আরে ভাই আপনার মাথার নাট বল্টু ঢিলা আছে। নাইলে এই ডায়লগ দিতেন না। বাংলা ভুলার জন্য নাকি বাংলায় বাংলায় ইন্টারনেট কে ভরিয়ে তুলবার জন্য আমরা বাংলায় লেখি তাই আপনি বুঝতে পারেন না,আইছেন লম্বা ডায়ালগ দিতে? একটা প্রবাদ শুনুন : “ডায়ালগ দিলেই বুদ্ধিজীবী হওয়া যায়না”। আপনার মূল আপত্তি মনে হচ্ছে যুক্ত বর্ণে? মানুষ এগুলো কি কি অক্ষর মিলে হয়েছে তা জানবে না...এইটাই তো? জনাব আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লাহ এর মত মহান অধ্যাপক বলে গেছেন যে বাংলায় যুক্তবর্ণ আর স,শ,ষ/ন,ণ/র,ড়,ঢ় ইত্যাদি হচ্ছে বাহুল্য। এগুলো যতদিন দূর না হবে বাংলার বিশ্বজনীন হওয়া তত দূরহ হবে। আর আপনে ত পুঁটি মাছ। তাই সময় থাকতে চামচামি ছাড়েন। পারলে নিজেও আইসা অভ্রের উন্নতিতে কাজ করেন নাইলে ফুটেন। পাবলিক ক্ষ্যাপলে কইলাম জানে মাইরা ফালাইব।
(পাঠকগন আমার ‘অত্যাধুনিক’ বাংলার প্রয়োগ মার্জনা করিবেন আশা রাখি। এই লেখাটি কপিরাইট মুক্ত, যে যেমন খুশি এ’কে কাট কপি পেস্ট কিংবা এডিট করার অধিকার রাখেন, এমনকি ইহাকে কোনো ব্লগ সাইট এ নিজের নামে চালানোর অধিকারও রাখেন, যদিও আমার লেখা অতি নিম্নমানের, তাই এসবে পোস্ট করার আগে ব্যাকরন দেখিয়া লইবেন। লাস্ট একটা কথা : আমি সুলাইমান লিপি ফন্ট ব্যবহার করি, আপনি করেন তো? )

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


