somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষক শিক্ষিকাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি ছাত্র ছাত্রীদের আত্মহত্যা করা প্রসঙ্গে

২৫ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি গল্প প্রবন্ধ বা অনুচ্ছেদ যাই বলেন না কেনো, তেমন কিছুই খুব বেশি লেখিনা + জিকোব্বাই এর মত ব্লগার, আলিম আল রাজি, তানভির চৌধুরী পিয়েল, এইসব ব্লগারের মত রস কসে ভরপুর করে লিখা লিখতে পারিনা। তাও এই সিরিয়াস লিখটা না লিখে আমি আর থাকতে পারলাম না। আমি কোনো এক পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসনে পড়ালেখা করি। একটা জিনিস খেয়াল করলাম সসিয়াল মিডিয়া ফেইসবুকে অনেকে লেখালেখি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচারদের সম্পর্কে গালাগালি করে। এই কাজ গুলা কেন করে তারা? আর কেন ই বা করবেনা? আসুন একটু ভীতরে নিয়ে যাই। আপ্নারা কম বেশি সবাই ৩ ইডিয়টস এ দেখেছেন, ভাইরাসের(টিচারের ব্যাঙ্গাত্মক নাম) কারণে কীভাবে ওই নিষ্পাপ ছেলেটা মারা গেলো। সে বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ভাইরাস তাকে ২য় সুযোগ দিল না। গিব মি সাম সান্সাইন , গিভ মি সাম রেইন, গিব মি এনাদার চান্স আই ওয়ান্না গ্রো আপ ওয়ান্স এগেইন। কোনো লাভ হল না। আত্মহত্যা করা ছিল ছেলেটার এক মাত্র পথ। ্তাছাড়া তার বাবার কাছে সে মুখ দেখাতে পারবেনা এই ভেবে। এই ধরনের কোনো বিষয় যদি আপনার আমার কেম্পাস এ প্রতিনিয়ত ঘঠতে থাকে তাহলে ছেলেরা/মেয়েরা যাবে কোথায়...? আজ দেখা যায় টিচাররা পাব্লিক ইউনিভারসিটিতে যে যাকে যেইরকম ইচ্ছা পেইন দিতে থাকে। উলটা পালটা এসাইন্মেন্ট, আন্নেসেসেসারি সাপ্লিমেন্ট , যেই রকম ইচ্ছা বাশ দিতে থাকেন। আর ছাত্র ছাত্রীরা তা কোনো রকমে সহ্য করে ক্লাস শেষ করে গালাগালি শুরু করে। অমুক সার কোনো মানুষ না, এই না সেই না, পেইন দে। যাই হউক , আমার প্রশ্ন হল এই টিচাররা (সবাই না, কয়েকজন) কেন ছাত্র, ছাত্রীদেরকে অযথা এই ধরনের পেইন দেন। কই, সব টিচার তো এই রকম দেন না পেইন। কেন আপনারা কিছু কিছু টিচার ছাত্র/ছাত্রীদেরকে জ্বালাতন করেন? আচ্ছা মানলাম ক্লাসে এক্সট্রা কাজ করান ভাল কথা, পরিক্ষার খাতায় ভাল লিখলে ও এই সকল টিচাররা আগে থেকেই বলে রাখেন, আমার কোর্সে কেউ B+, A- পাওয়ার আশা করা টিক হবেনা। ইভেন বড় ভাইদের কাছ থেকে জানা যায় উনাদের মধ্যে যে সবচেয়ে ভালো, সেও B- পেয়েছে। এইভাবে একটা ছাত্র/ছাত্রীর জীবন নষ্ট করার মানে আমি বুঝিনা।একটা স্টুডেন্ট অনেক আশা ভরশা স্বপ্ন নিয়ে ভারসিটিতে ভর্তি হয়। কেনো তাদের প্রতি এই নিষ্ঠুর আচরন। স্টুডেন্ট্রা মেজর সাবজেক্ট ইচ্ছা মত নিতে পারেনা, ৬-৭ টা স্টুডেন্ট এক হয়ে বলছে , সার আমরা মেজর সাব্জেক্ট এইটা নিমু, সার বলে এত কম স্টুডেন্টদের দেওয়া যাবেনা। কিছুদিন আগে আপ্নারা প্রথম আলোতে পড়েছেন, মেডিকেল কলেজের ছাত্র মধুসুদন চক্রবর্তীর আত্মহত্যা করার ঘটনা। ছেলেটার দোষ ছিল এক্টাই , সে তোতলামি করত। তাই বলে টিচাররা তাকে যেভাবে অপমান করেছিল তার ফলস্বরুপ ছেলেটার এই আত্মহত্যা যা সে মৃত্যুর আগে লিখে গিয়েছিল কাগজে। তাই আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, আপ্নারা টিচাররা এমন কোনো পেইন স্টুডেন্টদের দিবেন না যাতে স্টুডেন্টরা সুইসাইড করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে কিছু কিছু টিচার যেই রকম আচরন শুরু করেছেন তাতে কে কোন সময় আত্মহত্যা করে (চিরকুট লিখে যায় ) বলা মুশকিল। আমি আমার ফ্রেণ্ড দের মধ্যে বলতে শুনেছি, তারা বলে আমি নিজে সুইসাইড করে ডিপার্ট্মেন্ট এর সব টিচারকে শিক্ষা দিয়ে যাব! তারা যেনো স্টুডেন্ট দের খামোখা পেইন না দেয়। তবে আপনাদের কারণে যদি আমাদের সামনে কেউ সুইসাইড করে, তাহলে আম্রাও আপনাদেরকে দেখে নিবো বলে দিলাম। তাই আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ , আপনারা আমাদের প্রতি আরেকটু সদয় হোন যাতে আমরা একটি সোনালি সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে দেশ ও দশের উন্নয়নে নিজেকে আত্ম উৎসর্গ করতে পারি । ধন্যবাদ।
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×