কতদিন আমাদের গ্রামগুলো বেঁচে থাকবে? আমি বেঁচে থাকাকালিন সময়ে গ্রামগুলো নিঃশেষ না হয়ে গেলে কোন দুঃখ থাকবে না। কিন্তু বেঁচে আছি আর বাংলাদেশে কোন গ্রাম নেই - এটা আমি সহ্য করতে পারবো না।
নির্জনতা, বিচ্ছিন্নতা, কোলাহলমুক্ততা, সবুজের চাদোয়া, টেকনলজি বিযুক্ততার অপূ্র্ব সম্বনয়ে আমাদের গ্রামগুলিকে আমার স্বর্গ মনে হয়। অনেকে বলে থাকেন চিকিৎসার সুবিধা গ্রামবাসীদের অপর্যাপ্ত, কত অসহায় তাহারা! আমার তো মনে হয় থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা গ্রাম্য ডাক্তাররা ছোটখাট রোগ-ব্যাধীর জন্য মোক্ষম দাওয়াই দিয়ে থাকেন আন্তরিকতার ডোজে, কিন্তু শহুরে ডাক্তার, হাসপাতাল - সবই তো একরকম কসাঁইখানা।
ফরটিন ইয়ার্স ঘড়ি হাতে দেই না; তবু সময় জানতে কষ্ট হয়নি। সময়নিষ্ট মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করেই ঠিকঠাক নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতাম। আর এখন তো মোবাইল আছে, টুইনওয়ান। তবে ইদানীং কোথাও যেতে হলে সবাইকে রেডি হতে বলে আমি নিশ্চিন্তে মুভি দেখতে বসি, জানি অর্ধেক দেখার পরে আমার রেডি হবার পালা আসবে - তার পরেও প্রথম হবার সম্ভাবনা থেকে যাবে।
কলমের মুখ হারানোর অভ্যাস আমার প্রাগৈতিহাসিক। এখন যার জন্য প্রথমে মুখ খুলে ফেলে দেই। খোঁজার জন্য আর অহেতুক সময় ব্যয় করতে হয় না। কোথাও নতুন ইন্টারভিউ এর জন্য কল আসলে জুতো কেনা আমার একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। মনে হয় ট্যালেন্ট জুতো দিয়ে ঠিকরে বের হবে।
অনেকদিন দই, মিস্টি মুড়ি, ছানা, ঘোল দিয়ে মিশিয়ে খাই না। বরিশালের এ খাবারটা আমার প্রিয় ছিল। ঢাকায় কি কোথাও পাওয়া যায়! কোন এমন দইঘর কি আছে? অন্তর কাঁদে এ খাবারটার জন্য!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







