সুধীজনের মতে ব্রাত্য বলে রোসনাই হবনা কোনদিন
ফোঁড়ন আসিছে মরণ বসিছে কামড়ে চিতায় চিত্তে
নুপুরের ধ্বনি বুঝিল বুঝি মথিত হবে সাধ্য বিনাশে
এখন খানখন্দে কোলাব্যঙ সুর তোলে অদ্ভুত তালে
তাতেই নাচা ভালোভাবে বাচা সুখটানে বিড়ি ফোঁকা
বুকের দাপুনি কমলে খিচুনি বাড়লে বেশ ভালোথাকা
একদিকে শংকা ভাংগিল চোয়াল লংকা লাগিল চোখে
পুড়ে মরে দেখা বাকী থাকে শেখা আগুণের উত্তাপে
কিছুই শুনিনা শোনাতে আসিনা ভাবিনা ভাবাতে মন
একধাপে নামি দুই সিড়ি, উঠিনা একপাও উর্ধ্বগিরি
যেখানে বসি সেখানেই কাশি হরদম খুনী আস্ফালন
হাতে পাই নস্যি কথা বশ মেনে তার সংগ ছাড়িনা
যেই বলে রাত আমি হই কাত বাইরে আলো দেখিনা
তবু বুঝি আমার রুচি এখনও আছে সুস্থির পারঙ্গম
এত ভাল বলি বারবার বলি ছুটিছে কি মাথার তল
একদিন হবে শ্রান্ত সবে মরিবে বিষদাতে রক্ত ছুটে
তখনও বেশ দিব্যি বেড়াবো ফেলিবো না অশ্রুজল
বড়জোর সাথে বাড়ন্ত কাধে থাকিবে দগদগে ক্ষত
সাঙ্গ হবে সুখের কথা ফিরিবে না ডাকিলেও শত
তখন আমার বেলা যাবে অস্তাচলে সাথে সাদাছড়ি
চোখে দেখিবনা, কানে শুনিবোনা কারো বাড়াবাড়ি
দলিতজনের সম্বল লয়ে ঘুরিবো পথে জনে সংঘে
আলাদা করিব ছড়ি মেরে ছুড়ে পৃথক বানানো মঞ্চে
একদিন তখন ঘুচাবে আখ্যা ব্রাত্য ভাবার সুধীজন
সেই সুখে আজি রঙ্গ করি তালে তাল মিলাই বংগে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




