'জীবন' শব্দটির মধ্য দিয়ে একটা প্রবাহমানতার সুর ধ্বনিত হয়। এই জীবন পথে চলতে চলতেই মানুষ অর্জন করে নানা অভিজ্ঞতা, সন্মুখীন হয় নানা মর্মান্তিক ঘটনার, যার রেশ প্রায়শই তার জীবনের পরবর্তী অধ্যায়কে দূর্বিসহ করে তোলে। আমার এই সুখ - দুঃক্ষের ক্ষুদ্র জীবনে আমিও এই রকম একটি মর্মান্তিক ঘটনার সন্মুক্ষীন হয়েছি। এর প্রভাবে আমি আজও নির্বাক, নিস্তব্ধ।
২২শে জুলাই ২০০৮ এ নিয়তির নির্মম পরিহাসে আমার দাদু মৃত্যুর ক্রোড়ে ঢলে পড়লেন। এই সঙ্গে চূর্ন বিচূর্ন হয়ে গেল নানা স্বপ্ন, নানা আশা। কিন্তু তবু শেষ হয়নি কিছিই। আজও আমি যখন বিষাদাচ্ছন্ন, তখন চোখ বন্ধ করলেই দাদুর চিরসুন্দর ছবি আমার মানস পটে উদ্ভাসিত হয়, আমার মনের মনিকোঠায় আজও তা উজ্জ্বল। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে আর কোনদিন গল্প শুনতে পারব না-- এই কথা ভাবলেই আমার মন আকুল ক্রন্দনে ভেঙ্গে পড়ে। তিনি শুধু বিদ্যানুরাগী ছিলেন না, এক অসীম ব্যাক্তিত্বের অধিকারীও ছিলেন। আমার জীবনে তাঁর অবদান অশেষ, যা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। তাঁর সঙ্গে অতিবাহিত এই ২১ বছরে আমাদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, তা এই ভাবে অচিরেই ভেঙ্গে যাবে, ভাবতেও পারিনি। এখন স্মৃতিচারন-ই হয়ে উঠেছে আমার জীবনের লক্ষ্য। কিন্তু তিনি আমাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়িত করতে আমি আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু তবু আমার মনে একটাই প্রশ্ন---কেন করলেন ভগবান এরকম? কী পেলেন আমাকে দুক্ষের অন্ধকারে নিমজ্জিত করে? কেন, কেন এত নির্মম হলেন?--আপনারাই বলুন...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


