গতমাসে অনুমোদন পেয়েছে ব্রি ধান ৫৫ নামের এই জাত। এটি একই সাথে মধ্যম মানের লবনাক্ততা, ঠান্ডা ও খরা সহিঞ্চু। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আউশ ও বোরো উভয় মৌসুমেই এই জাত ভাল ফলন দেবে বলে আশা করেছেন বিজ্ঞানীরা। সিনিয়র বিজ্ঞানী রফিকুল ইসলাম বলেছেন এটি হেক্টরে ৫-৭ টন ফলন দেবে। এছাড়াও গত বছর ব্রি উদ্ভাবন করেছে ব্রি ধান ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান ৩ ও ৪ জাত। এর মধ্যে ব্রি ধান ৫১ ও ৫২ আমন মৌসুমের জন্য। এই দু’টি জাত ১৪দিন পানিতে ডুবে থাকলেও মারা যাবে না। ফলন পাওয়া যাবে বলে জানান, ব্রি‘র মহাপরিচালক ড. আব্দুল মান্নান। আর লবনাক্ততা সহনশীল জাত ব্রি ধান ৫৩ ও ৫৪ চাষ কার যাবে আমন মৌসুমে। উচ্চ ফলনশীল ব্রি হাইব্রিড ধান ৩ বোরো মৌসুমের জন্য, আমন মৌসুমের জন্য ব্রি হাইব্রিড ধান ৪। খাদ্য চাহিদার কথা চিন্তা করে সকল মৌসুমের জন্য শর্ট ডিউরেশনের বন্যা, খরা ও লবনাক্ততা সহনশীল জাত উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ব্রি-র গবেষণাগারে। কৃষকরা জানালেন নতুন নতুন জাতের ধান আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষ করে তারা আগের চেয়ে ভাল ফলন পাচ্ছেন। তারা আশা করেছেন বিজ্ঞানীরা তাদের জন্য আরো বেশি গ্রহনযোগ্য জাত ও প্রযুক্তি দেবে। যেমন আড়াই মাস ডিউরেশনে বিঘাতে ২৮-৩০ মন ফলন পাওয়া যাবে এমন জাত চান তারা।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


