জুলুমশাহীর রাজ্যে আজিকে আমাদের বসবাস
বিচারের নামে চলিছে হেথায় নির্মম পরিহাস।
খুনি-দোষীরা পাচ্ছে আজিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা
বিচারপতির একাউন্টে হয় রাষ্ট্রিয় ধন জমা।
বিচার বিভাগ করিছে সাধন স্বৈরাচারের কর্ম
বিচারপতিদের শত্রু হয়েছে ফতওয়া-হিজাব-ধর্ম।
দলীয় নেতারা নিয়োগ পেয়ে, হচ্ছে বিচারপতি
বিচারিক চেয়ারে বসিয়াছে তাই সন্ত্রাসী-অপরাধী।
সুপ্রিম কোর্ট নয় যেন এটি দলীয় কার্যালয়
দলিয় নেতারা বসে আছে সেথা বিচারিক ভূমিকায়।
অপরাধী সেথা অপরাধ করে বুক ফুলিয়ে হাটে
নিরাপরাধ নির্যাতিত-ই অবশেষে জেল খাটে।
মিথ্যা মামলায় ও জামিন মেলে না, দলীয় লোক না হলে,
(আবার)খুনের আসামীরাও ছাড়া পেয়ে যায় উপরি লেনদেনে।
আদালত থেকে ‘’ন্যায় বিচার’’ হয়েছে বহিস্কার
নির্যাতিতরা পায়না সেথায় ন্যায্য অধিকার।
অধিকার হারার আর্তনাদে আরশ কম্পমান
দুটি হাত তুলে খোদার কাছেই চাচ্ছে পরিত্রান।
মুসলমানের দেশটা আজিকে হয়েছে ধর্মহীন
তাসবীহগুনিতে ব্যস্ত হস্ত, প্রতিবাদ-প্রতিরোধের আশা ক্ষীন।
বিরোধী দলকে দমন করাই, যেন পুলিশের কাজ
আইন শৃংখলার অবনতি হলে নেই তাতে কোন লাজ।
জালিম শাহী কেড়ে নিয়েছে মানুষের মৌলিক অধিকার
সব শেষে আজ হারাতে বসেছি গৌরবের স্বাধীকার।
অনেক হয়েছে, বন্দি হয়েছি গোলামীর জিঞ্জিরে
ট্রানজিট নামের চুক্তি হয়েছে ভিন দেশিদের তরে।
আর তখন…………
বিরোধীদল বসে আঙ্গুল চোষে
ভাবী ক্ষমতার টানে,
‘’স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব’’ সে গোল্লায় যাক,
নিজেদের উদোর ভরিবে আবার, ক্ষমতার দেখা পেলে।
বাকশালীরা নিপাত যাক
মানবতা মুক্তি পাক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


