বাম-বান্ধব মতি মার্কা মিডিয়ার মারফত জানতে পারলাম শাহবাগে নাকি তরুণদের জোয়াড় বইছে। নতুন প্রজন্মের সরব উপস্থিতিতে মুখরিত শাহবাগ! খোজ-খবর নিয়ে জানতে পারলাম সেখানে কিছু তরুন-তরুনী একত্রিত হয়ে রাস্তায় বসে মোম্বাতি জ্বালিয়ে নাচ-গান করছে। সেখানে নেই কোণ তারুন্যের উদ্দাম-উচ্ছলতা, শুধু আছে জাহেলী সংস্কৃতির অনুশীলন। ওরা কারা কি করছে ওখানে বসে?
ওরা আযাযীলের অনুসারী- শয়তানের ঔরষে জন্ম নেয়া জাফর-মতিদের চেতনার ফসল, ওরা ফেরাউন-নমরুদের উত্তরসূরি পথভ্রষ্ট বাম-ঘাদানী-আম্লীগ, ওরা গাঁজা সেবক- বিশ্ববিদ্যালয়ের বাগান আর চন্দ্রীমা উদ্দ্যানে রাত্রিযাপনকারী, ওরা তরুণ নামের কলঙ্ক, ওরা নতুন প্রজন্মকে বিভক্ত করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে চায়। সেখানে তারুন্যের কোণ ছাপ নেই আছে জড়া-জীর্ন গাঁজা সেবীকাদের সরব উপস্থিতি। ওরা দেশের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে না কারন বাংলার তরুণেরা গাঁজা সেবন করে না, করে না চাঁদা বাজী- টেন্ডারবাজী ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরং তারা সন্ধ্যা হলেই ঘরে ফিরে আসে, পড়া-লেখা করে নিজেকে গড়ায় সচেষ্ট। বাংলার তরুণরা শুধু সামনে চলতে যানে সব ভয়ভীতি মাড়িয়ে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে চায়।
বাংলা মায়ের দামাল ছেলে রফিক, সালাম, জব্বাররা দেখিয়েছিল তারুন্যের মানে কি। তাদের চেতনাকে ধারন করে আজও রাজপথ উত্তাল মিছিলে-স্লোগানে। নতুন প্রজন্মের আগমনে- তারুন্যের উচ্ছলতায় সদা কম্পমান স্বৈ-রাচারের মসনদ। প্রতিদিন মিছিলে দেখি নতুন নতুন মুখ দেখি সালাম রফিক নূর হোসেনদের প্রতিচ্ছবি। পুলিশের বুলেটের সামনে হাসি মুখে বুক পেতে দেয়া তরুনের সংখ্যায় কোণ ঘাটতি হয়না। মুজাহীদ, আবু রুহানী, আব্দুল্লাহ, মিজান, ইমরান, আবিদ প্রমান করে গেল হাজার তরুনের জীবন যাবে তবু কোণ অন্যায় মেনে নেয়া হবে না। রক্তই যদি হয় সমাধান তবে তা দিয়েই হবে প্রতিকার। শত বাধা উপেক্ষা করে বুলেট-বোমা-ষড়যন্ত্রের পাহাড় মাড়িয়ে রাজপথে প্রতিদিন লক্ষ তরুনের উপস্থিতির মাঝে খুজে পাই তারুন্যের উচ্ছলতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


