দুনিয়ার একটি নিত্য নিয়ম যে মানুষ যতই ক্লন্ত হোক, পরাজিত হোক বা ব্যার্থ হোক, আর এই সব শত ব্যার্থতা আর পরাজয়ের পরও মানুষ সান্তনা খোজেঁ বেড়ায় আর সেই সান্তানা নিয়ে মানুষ বেঁচে থাকে।
বি,এন,পি একটি রাজনৈতিক দল, আর সেই দলটি তো মানুষে গড়া, আছে নেতা নেত্রী, সমর্তক কর্মী , আর এই সব নেতা নেত্রী, কর্মী সমর্তক বেলায়ও এখন ঘটছে সেই সন্তানা নিয়ে বেচেঁ থাকার আকুতি আর খুজেঁ বেড়ায় সান্তনা নিয়ে কৃত্রিম হাসি নিয়ে বেচেঁথাকার সংগ্রাম।
শুরুতে একটি কথা বলতে হয়, দুনিয়ার অন্যতম বৃহত্তম পুরানো আর শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ১৯৭৫ পর গুড়ে দাড়াতে লাগছিল প্রায় ২১ বছর, এখন প্রশ্ন হল, ( বি,এন,পির কত বছর লাগবে?)
উত্তরটি বি,এন,পির জন্য খুবই জটিল আর শক্ত। হয়তো বি,এন,পি নিজেও আসলে এর সঠিক উত্তর জানেনা, বলতে গেলে সময়ের পরিক্রমায় আর রাজনৈতিক প্রেক্ষপটে বি,এন,পি এখন কিনারা হীন গভীর এক অথৈয় মহাসমুদ্র জলে হাবুঢুবু খাচ্ছে।
আর এর বড় প্রমাণ হল -------------- গত ৫ ই জানুয়ারী ২০১৫ সাল পরবর্তী সময়ে বি,এন,পি জামাত মিলে দীর্ঘ্য ৩ মাস সময়ে লাগাতার যে সহিংতা আর ব্যাপক ধ্বংসাত্বক আর নির্মম নাশকাতা কলেছিল, আর তার পরও প্রতিপক্ষের দুর্গ তো দুরের কথা দুর্গের একটি বালুকণা সরাতে না পরা।
আর বি,এন,পি জামাতের সেই নাশকাত আর নির্মম আন্দোলন পর বি,এন,পি যেমন সফল না হওয়ায়, একে তো হতাশা আর নিরাশ যেমন বি,এন,পিকে গ্রাস কতেছে ধুকে ধুকে আর সাথে সাথে প্রক্ষান্তরে মনোবল শক্ত আর চাঙ্গা হয়েছে আওয়ামীলীগে, এখন আওয়ামীলীগে আন্তবিশ্বাস এতই দৃঢ় আর শক্ত হয়ে যে ---- তারা এখন নিশ্চিত যে, তাদের বিরুদ্ধে এত দুর্বাবর শক্ত আর র্দীঘ্য সময় আন্দোলন করার পর বি,এন,পি জামাত আওয়ামীলীগের কিছু্ই করতে পারিনি, সুতরাং আগামীতে কোন দিনই কিছুই করতে পারবেনা।
সেই যাই হোক, এখন দেখা যাক দুঃখে আর হতাশায় ব্যর্থ বি,এন,পি জামাত কি নিয়ে সান্তানা খুজেঁ
১) একতরাফা প্রহসনের নির্বাচন।
২) ভোটার হীন নির্বাচন।
২) ১৫১ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদন্ধীতায় নির্বাচিত।
এখন এই গুলো হল বি,এন,পির জন্য কিছু অন্যতম সান্তানার নিয়ামক, তবে একটি কথা বলতে হয় সান্তানা খুজা দোষের কিছু নয়, এই সব চিন্তা করে বি,এন,পির যদি কিছুটা মনের দুঃখ ভুলা যায় তাতে তো এমন কিছু অন্যয় বা দোষের কিছু নয়, স্বপ্ন দেখে যদি মনের কিছু বেদনা লাগব করা যায় তা হলে বলবো, হে বি,এন,পি জামাত বসে বসে এই সব কথা গুলো ভাবুন,
বি,এন,পির নেতা কর্মী, সমর্তক আসলেই সাবই জানে, আসলে সেই সংবিধান মোতাবেক আর আইনী ভাবে শতকরা ১০০% বৈধ।
যাই হোক, মুখে না মানলেও তারা এট মনে মনে অন্তরে নীরবে স্বীকার করে নিয়েছে।
সর্বশেষ সবার কাছে একটি প্রশ্ন
খালেদা জিয়া তার নিজ দলের যে চেয়ারপার্সন পদে আছেন, তিনি তার দলের ভিতর হতে কি নির্বাচিত হয়ে আসছিল? আর উত্তর টা যদি না হয়, তিনি কি বি,এন,পি বৈধ নাকি অবৈধ নেত্রী?
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




