আমি ছোট খাটো মানুষ, সামর্থ্য ও সীমিত। তার মধ্যেও চেষ্টা করি কিছু করার। ফিরিস্তি না হয় নাই বা দিলাম।
শংকর নামে একজন ইন্ডিয়ান লেখকের লেখা পড়েছলাম অনেক আগে। খুব ভালো লেগেছিল। লেখার পরতে পরতে ছিল দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহব্বান।
প্রফেসর জাফর ইকবাল অনেক উপরের মানুষ। তার লেখনি শক্তি অসাধারণ। লক্ষ লক্ষ তরুণ তার লেখায় অণুপ্রানিত হয়। তার লেখা 'বিবর্ন তুষার' অনেক কেই দেশে ফেরার সাহস যুগিয়েছে। কিন্তু তাই বলে তার সব কাজই ভালো তা কিন্তু নয়।
তার নেগেটিভ অং শ টুকুও বাস্তবতা (যেটা আমি আগের লেখায় তুলে ধরেছি)। তার লেখায় খুব কমই দেখা যায় কোন বাঙ্গালী সফটয়্যার এনালিষ্ট এর সাফল্যের জয়গান, কিংবা কোন প্রবাসী বাঙ্গালী র সাফল্যগাথা। যে কাজ টি সব সময় করে এসেছেন প্রফেসর কায়কোবাদ।
আমি অনুপ্রানিত হই প্রফেসর কায়কোবাদের লেখা সুমন কুমার নাথের সাফল্যগাথায়।
আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি আমার না দেখা শাফাকাত রাব্বীকে যার বিডি স্টুডেন্টস গ্রুপে রিকমেন্ডেশন লেটার নিয়ে লেখা কয়েকটি মেইল অনেককেই সাহায্য করেছে ইউরোপ আর আমেরিকার ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিহতে।
আমি অপেক্ষা করি সেই কান্ডারীর, যিনি আমাদের অতীতের বৃত্তে বন্দী না করে, বরং অতীতের গৌরবগাথায় ভর করে সামনের দিকে নিয়ে যাবেন দুর্বার গতিতে।
তলাবিহীন ঝুড়ির লজ্জা নিয়ে নয় , স্বনির্ভরতার দীপ্ত গৌরবে মাথা উচু করে দাড়াতে চাই বিশ্বসভায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


