মুখফোড় আমাকে নিয়ে একটা পুরো রচনা লিখে ফেলেছেন।আহা কি আনন্দ। নিজের বহুমুখী পান্ডিত্যের পরিচয় দিয়েছেন মাসুদ রানা থেকে শুরু করে কালো চিতার বংশ লতিকা টেনে এনে। তারপর রুচির পরিচয় দিয়েছেন গু মুত টানাটানি করে।
আমার প্রথম লেখায় আমি যে বিষয় গুলি বলেছিলাম তা হচ্ছে,
1। ঘাদানিক এর আন্দোলনের অসারতা ও সাধারন মানুষের মাঝে এটির গ্রহনযোগ্যতা। আওয়ামী লীগের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ব্যাবহৃত টিস্যুর মতো ছুড়ে ফেলে দিল। পরের ইতিহাস তো সবার ই জানা।
2। প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবালের যে অংশের বিরোধিতা করেছি, সেটি হচ্ছে, নিজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন না করে সেটা নিয়ে অতি আবেগ প্রদর্শন।
3। একটি অসাঢ় ও ব্যার্থ আন্দোলনের নেত্রীর নামে হলের নামকরন করতে যেয়ে (যে নামের ব্যপারে খোদ আওয়ামী লীগের সিলেটী নেতারাই রাজী ছিলেন না) বিশ্ববিদ্যালয় কে মাসের পর মাস বন্ধ রাখা, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবন থেকে শুধুমাত্র একটা নামের জন্য একবছর নষ্ট হওয়া কোনোমতেই সমর্থন যোগ্য নয়।
এবার আসি দ্্বিতীয় লেখায়। এখানে প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবালের ভালো দিক গুলির একটা অংশ তুলে ধরেছি।
আর তৃতীয় লেখায় আমি আমার আকাংখা আর লেখাগুলির উদ্দেশ্য ব্যক্ত করেছি।
মুখফোড় সুলেখক। শক্তিশালী লেখকের লেখার ধরনই আলাদা। সুন্দর একটা ভূমিকা ফেঁদে সবার দৃষ্টি অন্য দিকে নিয়ে যান। এখানেও তিনি একই কাজ করেছেন। করতেই পারেন। তবে তাতে খুব বেশী লাভ নেই। নতুন প্রজন্ম আসলেই সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


