আমাদের দেশের উন্নতির পথ ও মোটামুটি সবচেয়ে দুর্গম ও দীর্ঘ তাতে সন্দেহ নাই। তাই সেখানে সম্মিলিত প্রচেষ্টা খুব জরুরী।
আমি 3 টা সহজ কাজের কথা বলব। আমি নিজে খুব ভালো ফল পেয়েছি। আপনারা চেষ্টা করুন, আমার ধারনা আপনারাও পাবেন। দরকার একটু সদিচ্ছার।
(1) অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী বিদেশের ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানের বেশীর ভাগ শিক্ষক ই স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত। তারা সারা বছর বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার কাছ থেকে অনেক বই পেয়ে থাকেন সৌজন্য কপি হিসাবে। বছর শেষে সেই বইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে যায়। আপনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের দশ জন শিক্ষকের একটা তালিকা তৈরী করে তাদের কাছে সুন্দর করে ইমেইল করুন আর পরিচয় থাকলে সরাসরি দেখা করে পুরোনো বই ফেলে না দিয়ে যেন আপনাকে দেয়ার অণুরোধ করুন। কেন বই চান তা অবশ্যই জানাবেন। তাহলে দেখবেন তারাও উৎসাহী হবেন। আর দেশে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন, সেখানে যোগাযোগ করে বই গুলি পাঠিয়ে দিন।
কল্পনা করুন, কয়েক হাজার বাংলাদেশী ছাত্র যদি এধরনের স্ক ীম নেয় তাহলে 3/4 বছর পরে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় সেমিনার লাইব্রেরী গুলিতে লেটেষ্ট বইয়ের আর অভাব হবে না!!
(2) দেশে আন্তর্জাতিক মানের জার্নাল বা কনফারেন্স প্রসিডিংস খুবই দুসপ্রাপ্য। কিন্তু বিদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়েরই সব ধরনের জার্নালের অনলাইন সাব্সক্রিপশন আছে। আই, ই, ই, ই বা এই মানের জার্নাল গুলির সফ্ট কপি সংরক্ষন করুন। তারপর সময় ও সুযোগ মত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দিন।
(3) এবার পড়াশোনার বাইরের বিষয়। দেশে ফেরার 3/4 মাস আগে থেকে পরিকল্পনা করুন। 20 জন বন্ধু বা শুভাকাঙ্খ ীর তালিকা বানান। এরপর সবার কাছ থেকে 20 ইউরো/পাউন্ড স হয়তা নিন। দেশী টাকায় 50 হাজার টাকার কাছাকাছি হওয়ার কথা। দেশে ফিরে এলাকার 1/2 জন গরীব কিন্তু কর্মঠ এবং সৎ লোক খুজে বের করুন। এটা খুব বেশী কঠিন হওয়ার কথা না। তারপর সংগৃহীত টাকা দিয়ে তাদের কর্ম সংস্থানের ব্যাবস্থা করুন।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই সব ছোট ছোট সদিচ্ছা আর ভালোবাসা একদিন দেশের চেহারা পালটে দেবে।
আর হ্যা, আপনার মাথায় এ ধরনের পরিকল্পনা থাকলে ব্লগে প্রকাশ করুন। কেউ না কেউ সেটি লুফে নেবে। আপনার অজান্তেই হয়ত একটা মহৎ কাজ শুরু হয়ে যাবে!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


