নতুন পৌরসভা। প্রথম নির্বাচন। ভোটার প্রায় ৬০০০ এরমত। একটা মাত্র বাজার। নদীর এপার ওপার মিলিয়ে ৮ ওয়ার্ড। প্রার্থী ৫জন! পরশু নির্বাচন...
আর দৈনিক পরিবর্তন হতে লাগল ভোট ভাগাভাগির হিসাব। আর সেই সাথে বিজয়ের হাসিও পাল্টাতে থাকল ওল্ড জিপসী ম্যানের মত। আজ অমুক সাহেব হাসছেন আবার কাল তকুম সাহেব। নয়তঃ সাকালে ইনি বিজয়ী হয়ে গেলেন; আবার বিকালে উনি বিজয়ী; নাহয় তিনাকে তো আর ঠেকানোই যাবে না। অন্যদিকে কর্মীদের মাঝেও পাল্টাতে থাকল ভোটের হিসাব কিতাব নিজের প্রার্থীর জয়-পরাজয়। অন্য পার্থীর কর্মীদের সাথে কোনরকম আলাপ করে বা শুধুই আন্দাজের উপর। করবেই বা না কেন ছোট পৌরসভা অল্প এলাকা সাবাই সাবইকে চেনে। দলাদলিতে ভাগ হলো শুধুই প্রার্থীর সাথে চলার সার্থে। এখন কে কার সাথে কাজ করছে সবাই সবাইকে চেনে ফেলেছে। এখন যদি নিজের প্রার্থী ফেল করে বসে পরের দিন নদী পার হয়ে বাজারে যাবার যোগার নাই, হয় মার খাবে নয়তো দৌরানী। ভেতরে ভেতরে ভয় নিয়ে প্রার্থী দেখানো ওয়ার্ক চলল।
শুরু হলো অন্ধ ভোট হিসাবের গড়মিল। টাকা দিয়ে গড় কাটাবে প্রার্থীরা। শুরু হলো ভোট কেনা-বেচা সেই সাথে শুরু হলো অর্থ প্রবাহ কিন্তু সময়তো নাই আজই প্রচার বন্ধ। তাই শুরু অন্য ওয়ার্ডের প্রার্থীদের ভোট কেনা। এলাকার প্রার্থীরা তাই পাহাড়া দিতে লাগল সারা রাত ব্যায়াপী। এটা রাত ব্যায়াপী পাহারা না রাতব্যায়াপী অন্য রকম প্রচার অভিযান। প্রার্থীরাও থেমে নেই অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি করতে লাগল সময় যত কাছাকাছি আসছে তার সাথে তাল মিলিয়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


