কোনো এককালে আমি বাচ্চা ছিলাম,কিছুই বুঝতাম নাহ। দিন গেলো আমি বড় হলাম। আরও দিন গেলো আর আমি যৌবনের মৌবনে গিয়ে পড়লাম

উঠতি যৌবনে যা হয় আরকি, সুন্দরী রুপওয়ালী(ফিগারওয়ালী)

মাইয়া মানুশ দেখলেই শাহরুখ খান হয়ে যেতাম

মাঝে মাঝে অবশ্য ইমরান হাশমি ও হতাম

ওইটা কিন্তু প্রেম ছিলনা,ছিল
মাংসের প্রতি মাংসের আকর্ষন
২ বছরের লুলামিতে অতিষ্ট হয়ে কলেজ হতে আমাদের বের করে দেয়ার আয়োজন মানে ফেয়ারওয়েল(১৬জানুয়ারী ২০১০) এর দিনে হঠাৎ উনাকে দেখি-আমার জলপরী, আমার ভালুবাসা। কালো লম্বা চুলওয়ালী, হালকা-পাতলা শরীরওয়ালী, কাজল-কালো চোখওয়ালী, দীপিকা পাড়কোন টাইপ চেহারাওয়ালী, চান্দের মতন রুপওয়ালী আমার স্বর্গের অপ্সরী বউ

প্রথম দেখাতেই আমার হয়ে গেল ইয়ে, ইয়ে আরকি বুঝলেন তো
যাইহোক ভাবলাম এটা অন্যসময়ের মত ক্ষনিকের আকর্ষন, বিকেল হলেই ঠিক হয়ে যাবে। অনুষ্টান শেষ হলো বাসায় গেলাম, বিকালে বের হলাম বন্ধুদের সাথে আড্ডাইতে। ওমা একি, এইটা ওই মাইয়া না! হ ওইটাই তো

জিন্সের সাথে এক্কান ফতুয়া লাগিয়ে স্যারের বাসায় পড়তে যাচ্ছিলেন। কি যে জটিল লাগছিল উনাকে, কি বলবো!! আজও মনে আছে ওই মুহুর্তের কথা
এর পরই শুরু হল আসল কাহিনী। কয়েক সপ্তাহ যেখানেই যেতাম সেখানেই উনার সাথে দেখা হত, উনাকে দেখতে দেখতে কখন যে আমার মাংসের প্রতি আকর্ষন ভালুবাসায় পরিণত হল নিজেও বুঝতে পারিনি

ফ্রেন্ড দের বললাম-আমার তো হয়ে গেছে,ওরা আইডিয়া দিলো প্রপোজ মারতে,তবে সরাসরি না প্রথমে ফ্রেন্ডশীপ তারপর প্রপোজ

তো পড়দিন সকালে হালকা মেকআপ

শেষে বের হলাম উনার খুজে কিন্তু পেলাম না,ভাবলাম বিকালে হয়তো পাবো কিন্তু বিধি বাম। কয়েক সপ্তাহ গেল উনার দেখা নাই

তারপর হঠাৎ একদিন পেয়ে গেলাম উনাকে, সাথে সাথেই কাজে নেমে পড়লাম। অনেক ভূমিকা শেষে ফ্রেন্ডশীপ এর কথা বললাম, উনি এক কথায় আমার গালে অদৃশ্য জুতা মারলেন
"না সরি" 

তারপর আরও অনেক ভাবে উনাকে লাইনে আনার চেষ্টা চালিয়েছি কিন্তু সব ব্যর্থ।
সামুতেও সাহায়্য চাইছিলাম অনেক ব্লকবাস্টার টাইপ আইডিয়া পাইলে ও কুনোটাই কাজে লাগেনি বা লাগাতে পারিনি

আপাতত এই আমার ভালুবাসার গপ্প

দোয়া রাইখেন এই গরীবের প্রতি, যদি কোনো দিন আপামনিরে গেজাইতে পারি তো এই পোস্টের সমাপ্টি টানব


সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:৩১