১.
টেলিগ্রামে খুব সামান্য কথায় অনেক কথা লেখা হয় ... তাই একটু ভুল হলেই গেল টসকে
যেমন ধরুন আপনি বি.এড এ ভাল করলেন ... আপনি বাবা-মাকে খবরটা জানাবেন ...টেলিগ্রাম আপনাকে করতে হবে ইংরেজীতে, তাই লিখতে হবে অনেকটা এরকম,
"আই হ্যাভ ডান ভেরী ওয়েল ইন বি.এড"
এখন যদি ডারউইনের ন্যাচারাল সিলেশনের মতোই আপনি 'বি' আর 'এড' এর মাঝখানের ঐ সামান্য '.'(ডট)টা মিস করেন তাহলে কিন্তু অসামান্য ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
বাবা বেশী কড়া হলে বি.এড পাশ করার কল্যানে বাড়ীতে ঢোকা নিষেধ এমনকি ত্যাজ্যপুত্রও হয়ে যেতে পারেন।
২.
টেলিগ্রামের আরেকটা গল্প
এক ভাষার শব্দ আরেক ভাষায় লিখতে গেলে অনেকেই ভজগট পাকিয়ে ফেলে। বিশেষ করে কোনকিছুর নাম লিখতে গেলে। যেমন,
শেঠজী তড়িঘড়ি করে ট্রেন ধরতে রওয়ানা দিচ্ছেন; যাবার আগে রামদয়ালকে বলে গেলেন, "তোর কর্ত্রীতো এখন দিল্লীতে বাপের বাড়ী; ওকে টেলিগ্রাম করে জানিয়ে দিস আমি আজমীর যাচ্ছি।"
রামদয়াল গেল টেলিগ্রাফ অফিসে, টেলিগ্রাম করল
"শেঠজী আজমীর গায়া"
তো, টেলিগ্রাম পেয়ে শেঠ গিন্নী মুর্ছা গেলেন।
কারণ কি?
ব্যাটা রামদয়াল ইংরেজীতে আজমীর লিখতে গিয়ে 'আই' এর জায়াগায় 'এ' লিখে দিয়ে এসেছে। একেবারে শেঠজীকে মেরেই ফেলেছে কলমের এক গুঁতোয়।
৩.
আমরা এযুগে বেঁচে গেছি কারণ টেলিগ্রাম করতে হয়না। ইন্টারনেট আসার পর ই-মেইল তো খুবই সুবিধার, তাছাড়া পাড়ার ফোনফ্যাক্সের দোকানগুলো তও আছেই। তাও যদি এমন হয়?
তখন সবে ইন্টারনেট চালু হয়েছে পৃথিবীতে। হোটেলে ইন্টারনেট থাকাটা বেশ প্রেস্টিজিয়াস।
এক ভদ্রলোক অফিসের কাজে অন্য জেলায় গেল। ওখানে তার প্রথমবার যাওয়া। হোটেলে উঠে ইন্টারনেট পেয়ে সে রীতিমত উত্তেজিত। সাথেসাথেই বউকে ইমেইল করে বসল,
'আমি ঠিকমত এসেছি এই অচিন দেশে। আমাকে খুব যতনে রেখেছে এরা; চমৎকার সুযোগ সুবিধা! জানো, ওদের ইন্টারনেট কানেকশনও আছে। আমার কিছু বন্ধুও হয়ে গেছে এখানে। কাল তোমার সাথে সবার দেখা হবে, এই নিয়ে সবাই এক্সাইটেড!'
তো অতিরিক্ত এক্সাইটমেন্টের কারনেই তিনি তার বউয়ের ইমেইল এড্রেসে একটা 'এইচ' বেশী লিখলেন।
পরদিন স্বামীর অন্তেষ্টিক্রিয়া সেরে এসে ই-মেইল চেক করতে বসে এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধা মুর্ছা গেলেন।
কারণ, cristine এর মেইল চলে গিয়েছিল christine এর কাছে।
(ইন্টারনেটে পাওয়া জাংক দিয়ে ম্যাকের বার্গার বানানোর অপচেষ্টা)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






