মেট্রোরেল পুরো বাংলাদেশের জন্য শান্তির বিষয়।
শুধু মেট্রোরেল না পদ্মাসেতুও। দারুণ এক কাজ হয়েছে। আগে মতিঝিল থেকে মিরপুর বা উত্তরা যেতে খবর হয়ে যেতো। তিন ঘন্টার বেশি সময় লাগতো। এখন মুহুর্তেই চলে যাই। এটা চরম শান্তির। সময় বেচে যায়। যাওয়া যায় আরামে। মেট্রোরেলের এসি ভীষণ ঠান্ডা! আমাদের মতো দরিদ্র দেশে মেট্রোরেল চারটেখানি কথা নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে কোনো দল মেট্রোরেল বা পদ্মাসেতু করতে পারেনি। আওয়ামিলীগ করে দেখিয়েছে। শুধু তো পদ্মাসেতু আর মেট্রোরেল না, আরো অনেক কিছু আছে। এত উন্নয়ন আর কোনো দল করতে পারেনি। আওয়ামিলীগকে ডুবিয়েছ ছাত্রলীগ। দিনে দুপুরে কুপিয়ে বিশ্বজিৎ হত্যার পরই ছাত্রলীগকে অফ করা দরকার ছিলো। শেখ হাসিনা কয়েকটি ভুল করেছেন। এজন্যই তার এই অবস্থা হয়েছে। বহু চিটার বাটপার আওয়ামীলীগে ডুকেছে শুধু মাত্র দূর্নীতি করার জন্য। শেখ হাসিনা সেদিকে নজর দেননি।
মেট্রোরেলে কিছু সমস্যা আছে, প্রচুর ভিড় হয়। প্রচুর।
সিট পাওয়া যেন ভাগ্যের ব্যাপার। অবশ্য কেউ সিট পেতে চায়ও না। লাইনে দাড়িয়ে ঠেলেঠুলে উঠতে পারলেই খুশি। মেট্রোরেলের আগে যাতায়াতের জন্য যে পরিমাণ কষ্ট করতে হতো, সেই তুলনায় এখন কোনো কষ্ট নেই। আরাম। এই আরামের জন্যই আমি আমৃত্যু শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবো। বিএনপি পারলে মতিঝিল থেকে উত্তরা পর্যন্ত এরকম একটা মেট্রোরেল বানিয়ে দেখাক। মতিঝিল, সায়দাবাদ, রামপুরা, বাড্ডা হয়ে উত্তরা পর্যন্ত আরেকটা মেট্রোরেল বিএনপি দ্বারা সম্ভব নয়। এরা উন্নয়ন বুঝে না। যারা দূর্নীতিতে বছরের পর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা কি উন্নয়ন করবে? বিএনপি তাদের মেয়াদ শেষ করতে পারে কিনা সন্দেহ। জামাত তাদের ফেলে দিবে। ৭১ এর পরাজিত শক্তি এখন আরো ভয়ংকর হয়েছে। এরা আওয়ামীলীগের কাউকে বাচতে দিবে না। আওয়ামীলীগের লোকজন পেলেই হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দিবে। ৭১' ও তারা এই কাজ করেছে।
আগে শরীয়তপুর যেতে অনেক সময় লাগতো।
অনেক কষ্ট হতো। আমার মনে আছে, শেষ বার যখন আমি শরীয়তপুর গেলাম, কি কষ্ট টাই না হয়েছিলো। মাওয়া গিয়ে ফেরি ধরতে হতো। ফেরিতে অনেক সময় লাগতো। আর স্প্রীডবোডে যাওয়া যেতো। সেটা অনেক রিস্ক। খরচও অনেক। আমি গেলাম স্পীড বোডে। জানি না সাতার। বলা যায় জীবন হাতে নিয়ে নদী পার হয়েছি। একটা লাইফ জ্যাকেট দেয়। সেটা নানান জায়গা দিয়ে ছেড়া এবং প্রচুর নোংরা। গায়ে দিতে ইচ্ছে করে না। কিছুদিন আগে শরীয়তপুর গেলাম। সময় লাগলো মাত্র আড়াই ঘন্টা। পদ্মাসেতু জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। গত ৫৬ বছরে এরকম সেতু কেউ বানাতে পারেনি। বাংলাদেশে যেক'টা দল আছে তাদের মধ্যে আওয়ামিলীগ শ্রেষ্ঠ। শেখ হাসিনা আসবেন। অবশ্যই আসবেন। জামাতের ইচ্ছে বিএনপিকে ফেলে তারা এগিয়ে যাবে। অলরেডি তারা আওয়ামিলীগকে তাড়িয়েছ। আমার ধারণা এই দেশের মানুষ জামাত শিবিরকে রুখে দিবে। দেরি হোক, যায়নি সময়।
আমি এই মুহুর্তে চোখের ডাক্তার দেখাতে এসেছি।
লম্বা সিরিয়ল। অনেক সময় লাগবে। তাই লিখছি। বলা যেতে পারে সময় কাটাচ্ছি। আরো ত্রিশ জন রোগীর পরে ডাক্তার আমাকে দেখিবেন। একজন রোগীর জন্য যদি পাচ মিনিট সময় লাগে, তাহলে ত্রিশ জন রোগীর জন্য কত সময় লাগবে? অংক করতে ইচ্ছে করছে না। হাতের কাছে ক্যালকুলেটর থাকলে হিসাবটা বের করে ফেলতে পারতাম। অবশ্য ক্যালকুলেটর ছাড়াও হিসাব করতে পারিব। কিন্তু চাপ নিতে চাচ্ছি না। বর্ষাকাল চলছে, কিন্তু বৃষ্টি নেই। জৈষ্ঠ্যমাসের মতো গরম পড়েছে। গলা শুকিয়ে গেছে। এক গ্লাস পানি খেতে পারলে আরাম হতো। ঠান্ডা পানি। আশে পাশে পানির ব্যবস্থা দেখছি না। ডাক্তার দেখিয়ে যাবো, সুরভিদের বাড়ি। বিকেলে ফারাজাকে নিয়ে প্লে জোনে নিয়ে যেতে হবে। তারপর সে রেস্টুরেন্টে ডিনার করবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






