সারা পৃথিবী জুড়েই এখন প্রাইভেট রেডিও স্টেশনের ছড়াছড়ি। এগুলো সবই এফ এম রেডিও স্টেশন। প্রতিবেশি ভারত সাড়ে তিনশ'র মতো এফ এম রেডিও সম্প্রচারের অনুমতি দিয়েছে। জানা গেছে পরবর্তীতে এই সংখ্যা হাজারখানেক হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় হাজার খানেক, এমনকি ছোট্ট দেশ নেপালেও 6/7টি প্রাইভেট রেডিও স্টেশন আছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্থান ও ইরাকেও প্রাইভেট এফএম রেডিও স্টেশন আছে। সেগুলো খুবই জনপ্রিয়।
এফ এম রেডিও'র প্রকল্পগুলো খুবই ছোট। অল্প পুঁজির অল্পসংখ্যক লোকবল নিয়েই একটি এফ এম রেডিও স্টেশন চালু করা সম্ভব। দু'তিনটা রুম হলেই হয়ে যায় একটি স্টেশনের অবকাঠামো। এই ধরনের ছোট ছোট এফ এম স্টেশন সীমিত দূরত্বের মধ্যে অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। এদের সাধারণত কম্যুনিটি রেডিও বলা হয়।
বাংলাদেশ বেতারের ট্রাফিক সম্প্রচার কার্যক্রম (103.2মেগাহার্জ) এর পাশাপাশি রেডিও টুডে (89.6), রেডিও ফূর্তি (98.4), রেডিও আমার 101(101) ট্রাফিক ম্যাসেজ, টক শো, গানসহ শহরের মানুষের যাবতীয় তথ্য চাহিদা পুরণের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই চেষ্টায় শীঘ্রই যোগ হচ্ছে আরো একাধিক রেডিও চ্যানেল। ঢাকার বাইরের শহরগুলোতেও এসব অনুষ্ঠানের সম্প্রচার সম্প্রসারিত করার কথা রয়েছে। প্রচলিত রেডিও সেটের পাশাপাশি মোবাইলেও এসব অনুষ্ঠান শুনা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, রেডিও আবার সারাদেশের মানুষের ছায়াসঙ্গী হতে যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




