অবশেষে ডয়চেভেলে (জার্মান বেতার) বাংলাবিভাগ তাদের অনুষ্ঠানসূচী পরিবর্তন করলো। শ্রোতাদের দীর্ঘদিনের দাবী অনুযায়ী সকালের অধিবেশনের পাশাপাশি একটি সান্ধ্য অধিবেশন চালু হলো গত 29 অক্টোবর 2006 থেকে। তবে দু:খের ব্যাপার হলো- এতে শ্রোতাদের মূল প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হয়নি।
শত সহস্র শ্রোতার মতো আমারও প্রত্যাশা ছিল সকালের একঘন্টা অধিবেশন ঠিক রেখে রাতে আরো আধঘন্টা বা এক ঘন্টার সম্প্রচার বাড়ানো হবে। কিন্তু সকালের অধিবেশন ভেঙ্গে আধঘন্টা করে দু'বার প্রচারিত হচ্ছে- যা কারো কাম্য ছিল না।
এর আগে সকাল 7টা থেকে 8টা পর্যন্ত ডয়চেভেলের অনুষ্ঠান প্রচারিত হতো। শ্রোতাদের জন্য তা বহুলাংশে সুবিধাজনক ছিল। বর্তমানে সকাল 8-8:30 ও রাত 9:30-10টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান শুনা যাচ্ছে। রাতের অনুষ্ঠানটি মোটামুটি সুবিধাজনক সময়ে হলেও সকালের অধিবেশনটি একেবারেই অসময়ে প্রচার হচ্ছে। সকাল 8-8:30, বাংলাদেশের সকল পেশার মানুষের জন্য অত্যন্ত কর্মব্যাস্ত সময়। এমন সময় ডয়চেভেলে শোনা একটুও সহজ কাজ নয়। কোন পেশার শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান প্রচার হচ্ছে? কোন শ্রোতাই বোধ হয় এই অসময়ে অনুষ্ঠান প্রচারের সুপারিশ করে নি।
যতদ্রুত সম্ভব, বাংলা অনুষ্ঠান সকাল 7টা থেকে শুরুর জোর দাবি জানাচ্ছি।
2য় প্রশ্ন:
ডয়চেভেলে বাংলার তৎকালীন প্রধান টোমাস ব্যার্টলাইন 20সেপ্টেম্বর 2006 ঢাকার গ্যাটে ইনস্টিটিউটে ডয়চেভেলে পয়েন্ট উদ্্বোধন করেন। পরদিন তিনি ডয়চেভেলের প্রচার সময় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। ডয়চেভেলে সবসময় বলে- শ্রোতারাই এর প্রাণ। আমরা যারা 10-20বছর ধরে ডয়চেভেলে শুনছি, আমাদের কোন প্রয়ে াজন না পড়ে হঠাৎ সাংবাদিকদের প্রয়ে াজন পড়ে গেল? ডয়চেভেলেকে তো সাংবাদিকরা এতদূর এগিয়ে আনেনি। এনেছে শ্রোতারা। সাংবাদিকদের সাথে ডয়চেভেলে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের কি সম্পর্ক? ডয়চেভেলের প্রাণ তো আমরা। ডয়চেভেলের যে কোন সিদ্ধান্ত আমাদের প্রভাবিত করবে। মি. ব্যার্টলাইন শ্রোতাদের সাথে একটা আলোচনা করতে পারতেন।
আশা করবো, শ্রোতাবিমূখী এসব কর্মকান্ড থেকে ডয়চেভেলে ভবিষ্যতে বিরত থাকবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




