বাংলাদেশ বেতারে জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে পদায়নের অভিযোগ উঠেছে। বেতারের বার্তা বিভাগের পাঁচজন কর্মকর্তাকে জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির শর্তাবলী পূরণ পূরণ সাপেক্ষে পরিচালক মনিটরিং, বার্তা নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। কিন্তু পদায়নের ক্ষেত্রে এই জ্যেষ্ঠতা তালিকা চরমভাবে লংঘন করা হয়েছে এবং বেতার কর্তৃপক্ষের প্রেরিত পদায়নের প্রস্তাবও বিবেচনায় নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বার্তা বিভাগের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী 1টি বার্তা পরিচালক, 1টি পরিচালক মনিটরিং ও 3টি বার্তা নিয়ন্ত্রকের পদ ক্রমানুসারে উচ্চপদ এবং সব পদই ঢাকায়। আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রকের 5টি পদ পূর্বের পদগুলোর চেয়ে নিচু গ্রেডের এবং সবগুলোর অবস্থান ঢাকার বাইরে।
পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় যিনি দ্্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নিয়ম অনুযায়ী তাকেই পরিচালক মনিটরিং পদে পদায়ন করার কথা। বেতার কর্তৃপক্ষও সেরকমই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত পদায়নের ক্ষেত্রে দেখা যায় তাকে রাজশাহীতে আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করে জ্যেষ্ঠতা তালিকায় 5ম স্থানে থাকা কর্মকর্তাকে 3জনকে ডিঙ্গিয়ে পরিচালক মনিটরিং করা হয়েছে। এছাড়াও পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন নি এমন একজন কর্মকর্তাকেও বার্তা নিয়ন্ত্রকের চলতি দায়িত্ব দিয়ে সিনিয়র কর্মকর্তার উপরে বসানো হয়েছে।
এমন অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা দীর্ঘদিন চাকরি করলেও একটি বারের জন্যও ঢাকার বাইরে বদলি হননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, নিয়োগ বিধিতে পরিচালক মনিটরিং , বার্তা নিয়ন্ত্রক , আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রক পদ তিনটিকে একই বেতন স্কেলে দেখানো হলেও বেতারের অর্গানোগ্রামে তিনটি পদই জ্যেষ্ঠ অর্থাৎ, জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তাকে পরিচালক মনিটরিং এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ক্রমানুসারে পরবর্তী তিনটি বার্তা নিয়ন্ত্রক ও 5টি আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রকের পদ পূরণ করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ বেতারের প্রায় 61বছরের ইতিহাসে এ নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।
11.03.2007
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




