দি কিং অব মাস্কস
১৯ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
খুব ভাল লেগেছিল ছবিটা দেখে। চীনের ছবি। পরিচালক তিয়ান মিং উ। এক বৃদ্ধ স্ট্রিট পারফরমারের কাহিনী। রীতিমতো ম্যাজিক জানে এই বুড়ো। নানা রকমের মুখোশের সাহায্যে তাক লাগানো খেলা দেখাতে জানে। কিন্তুএই ট্রাজিশনাল আর্ট সেই জানে একমাত্র। সে মারা গেলে আর কেউ থাকবে না যে কিনা এই খেলা দেখাতে জানে। আর নিয়ম অনুসারে নিজের উত্তরসুরি ছাড়া আর কাউকে শেখাতেও পারে না সে। কিন্তু নৌকায় বসবাসকারী এই শিল্পীর উত্তরাধিকার নেই কেউ। বড় যাত্রা দল সিচুয়ান অপেরা থেকে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয় যাতে সে তাদের দলে যোগ দেয় কিন্তু বুড়ো ওয়াঙ রাশভারি নিজের মতো করেই তার চর্চা চালিয়ে যেতে আগ্রহী। নিজের উত্তরাধিকারী হিসাবে সে একটি ছেলেকে দত্তক হিসাবে কিনে নেয়। কিন্তু একদিন জানতে পারে সেই ডগি আসলে ছেলে নয় মেয়ে। তখন নিয়ম মতোই আর তাকে ম্যাজিক শেখাতে পারে না ওয়াঙ। এর মধ্যেই ষড়যত্রের শিকার হয়ে ওয়াঙ কারবন্দী হয়। তখন ডগি, পোষা বানর আর সিচুয়ান অপেরার বিখ্যাত অভিনেতা মিলে তাকে মুক্ত করে। ডগির মানসিকতায় মুগ্ধ হয়ে ওয়াঙ সিদ্ধান্ত নেয়, নিয়ম ভঙ্গ করে হলেও তাকে এই মাস্ক আর্ট শেখাবে সে। চাইনিজ লাইফ স্টাইল, ম্যাজিক আর ট্রাডিশন মিলিয়ে জমজমাট এক ছবি।
রিলিজ হয়েছিল 1996 সালে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো...
...বাকিটুকু পড়ুন
তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন...
...বাকিটুকু পড়ুনপাতার পাখা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
নারকেল গাছের পাতা ছিঁড়ে
পাতার শলা আলাদা করে
দুই পাতা সমান করে কেটে
বানাতাম চার ডানার একটি পাখা
খেজুর গাছের কাঁটা ছিঁড়ে
সে কাঁটা পাখার মাঝখান বরাবর গেঁথে
দখিনা বাতাসের মুখামুখি ধরলেই
শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২

বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...
এখন ডাক্তাররা...
...বাকিটুকু পড়ুন