ছবিটিকে বলা হয় কমেডি অব ম্যানার্স। 19 শতকের কমেডি লেখক আলফ্রেড ডি মুসের লা ক্যাপরিসে দ্য মারিনানে থেকে অ্যাডাপ্ট করা।
দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিকে ফরাসি বুর্জোয়াদের অবস্থা কেমন ছিল তা বেশ আনন্দের সঙ্গে মানে স্যাটায়ার আর হিউমারের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন রেনোয়া। এক বুনুয়েল ছাড়া এ বিষয়ে রেনোয়া জোশ কাজ খুব কমই আছে। মজার ব্যাপার ছবির অকটেভ নামে এক চরিত্রে রেনোয়া নিজে অভিনয় করেছেন।
কহিনী মানবিক সম্পর্কে নানামুখি খেলাধুলার নিয়মকানুন বিষয়ে । বিশেষ করে নর নারীর সম্পর্ক এতে বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। আন্দ্রে জরু কামেল বৈমানিক। সে বিমানে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে। এই সফল অভিয়ানের পর যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে, রেডিওর শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে তার কিছু বলার আছে কিনা। তখন সে বলে সে খুব মর্মাহত। কারণ যার জন্য এ অভিযান সেই ক্রিস্টিন তাকে অভ্যর্থনা জানাতে আসেনি। ক্রিস্টিন হলো এক ফ্রেঞ্চ বুর্জোয়ার বউ। যার সঙ্গে অকটেভের স্নেহশীল জটিল সম্পর্ক। অকটেভের মাধ্যমে ক্রিস্টিনের কাছে পেঁৗছাবার একটি উপায় খুঁজে পায় জরু। তাদের হান্টিং পার্টিতে দাওয়াত পায়। আর এই হান্টিং পার্টিতে সুচারু রূপে শিকার করা হয় জরুকে। এ এতই পরিপক্ব খেলার মাধ্যমে নিয়ম কানুন অনুসরণ করে ঘটে যে, ঘটনাটা ঘটারপর মনে হয় রিয়েল, এতে কোনো গেম ছিল না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







