আর ফিল্মের কাহিনীও মাশাল্লা প্রায় পঞ্চাশবছরের মেগা টাইমফ্রেমকে ধারণ করেছে।
মার্কো আর ক্রিনি দুই বন্ধু। তারা সোশালিস্ট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফূর্তিবাজ, জীবনের ব্যাপারে উদার দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। মার্কো কবি। আর ক্রিনি পলিটিক্যাল হিরো। ক্রিনির সঙ্গে প্রেম অভিনেত্রী নাতালিয়ার। দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুগোশ্লাভিয়ার পতন ঘটলে ক্রিনি মার্কোর বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডের এক এয়ার টাইট ঘরে আশ্রয় নেয় সপিরিবারে। মার্কো ও নাতালিয়া থেকে যায় ওভারগ্রাউন্ডে। তারাই এই আন্ডারগ্রাউন্ড গোষ্ঠীর সঙ্গে বাইরের পৃথিবীর যোগাযোগের মাধ্যম। আন্ডারগ্রাউন্ডের লোকদের দিয়ে মার্কো অস্ত্র কারখানা গড়ে তোলে। চালাতে থাকে তৎপরতা। একসময় দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। মার্শাল টিটো ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু মার্কো ক্রিনিকে বলে যে, যুদ্ধ শেষ হয়নি। ফ্যাসিস্টরা এখনও যুগোশ্লাভিয়ায়। আর যুদ্ধ যে চলছে তার প্রমাণ হিসাবে যে সাইরেন বাজাতে থাকে নিয়ম করে। মার্শাল টিটোর ঘনিষ্ঠ হয় সে। বাইরে ঘোষণা করে কমরেড ক্রিনি মারা গেছেন। তার ভাস্কর্য তৈরি হয়। তার ওপর ফিল্ম শুট হতে থাকে। ইতিহাসে লেখা হয়, তিনি ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। এতে তার মেলায় ক্রিনির প্রেমিকা নাতালিয়া। তাকে তাল মেলাতে বাধ্য করা হয়।
একদির মার্শাল টিটোর মৃতু্য হয়। নুতন সংকট ঘনিয়ে আসে যুগোশ্লাভিয়ায়। 1990এর দশকে নতুন আরেকটি যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয়। তখন আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে বেরিয়ে আসে কয়েকজন। দেখে সত্যিই যুদ্ধ চলছে। কমরেড ক্রিনি নতুন আরেক যুদ্ধের নায়ক হয়। মিথিক্যাল এক পরিক্রমা শেষে নতুন করে নায়ক হন তিনি।
সিনেমাটা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন কী জিনিস বানাইছে। যুগোশ্লাভিয়ার মর্মান্তিক হিস্ট্রিটা একটা সিনেমার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


