somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মোহসেন মাখমালবভের কান্দাহার

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুনেছি যে, আফগানিস্তানের কান্দাহারই নাকি ভারতের ইতিহাসের গান্ধার। যেখানে বুদ্ধিস্ট শিল্পকলার বিস্তার ঘটেছিল। শোনা কথাটা আর চেক করে দেখি নাই। কেউ জানলে আওয়াজ দিয়েন। এই আফগানিস্তান ছিল সম্ভাবনার এক দেশ। কিন্তু ওয়ার লর্ডরা (ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল) দেশটির টেস মেরে দিয়েছে। এই দেশের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও একশ বছর লাগতে পারে। এই আফগানিস্তানের হৃদয় কেমন? ইরানি পরিচালক মহসেন মাখমালবভের কান্দাহার ছবিটি দেখলে বেশ খানিকটা উত্তর পাওয়া যায়। এটা কি ফিচার মানে ফিকশন? নাকি ডকু্যমেন্টারি? আমার মতে, দুটাই। ডকুফিকশন। জন্মভূমি থেকে উৎখাত হওয়া এক বোন ফিরে আসে পোড়ো ভূমি আফগাস্তিানে। রিফুজিদের কাফেলায়, বিয়ের যাত্রী, কালাসনিকভ চালানো বাচ্চা। আফগানিস্তানের সমাজ ও রাষ্ট্রের (?) ভেতর দিয়ে সে পায় অবাক করা সব অভিজ্ঞতা। ইরানের একজন মানুষের পক্ষে কীভাবে আফগানিস্তানের এত ভেতরে ঢোকা সম্ভব? হঁ্যা ইরানের পক্ষেই হয়তো সম্ভব। বোম্বাইয়ের স্কেপ ফ্রম তালিবান দেখেছি। ওরকম ট্রাশ আর হয় না। কিন্তু কান্দাহার বেদনা জাগাতে পারে। অরিজিনাল এক জিনিশ কান্দাহার। বিশেষ করে হাতপা হারানো বিকলাঙ্গ মানুষগুলো যখন কৃত্রিম পার জন্য মাঠের মধ্যে দৌড়াতে থাকে তখন বোঝা যায় কী ঘটনা ঘটে গেছে সেখানে। ওই আকাশ থেকে ক্লাস্টারও ঝরে আবার কৃত্রিম পাও ঝরে। আর সেখানকার মেয়েরা? তারা কেমন আছে দেখতে হলে কান্দাহার তো দেখতেই হবে।
মহসেনের ছবি 2001-এর। আফগান আগ্রাসনের (2001) টাটকা আবহে ছবিটি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। 27 টি ফিল্ম ফেস্টিভালে দেখানো হয়েছিল। পেয়েছিল নয়টি ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩০
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুগুল মিটে হঠাৎ ব্লগীয় আড্ডা (টেস্ট)

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩৯

ব্লগের সবাই আশা করি ভালো আছেন। আজ বাংলাদেশের রাত ১০.৪৫ মিনিটে একটি ব্লগীয় আড্ডা'র আয়োজন করেছি। নিচে গুগল মিটের লিংক দিয়েছি। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। ইচ্ছা করলে, নিজের ভিডিও অফ রেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“জ্ঞাতি ভাইদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে তার দন্ত মোবারক আর আগের জায়গায় নেই।”

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:০৭

“জ্ঞাতি ভাইদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে তার দন্ত মোবারক আর আগের জায়গায় নেই।” ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্তমুক্ত বাংলাদেশ চাই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০৪

আর কত কাল গুপ্ত থেকে
চলবে তোদের এই রাজনীতি
মুখোশ খুলে মুখটা দেখা
'গুপ্ত' শুনলেই লাগে ভীতি

সুযোগ বুইঝা ঘাপটি মারোস
সুযোগ বুইঝা সাজোস বীর
হলগুলা কি তোদের একার
ছদ্মবেশী ছাত্রশিবির

ক্ষমতা ভাই খুব আরামের
তাইতো ছিলি লুঙ্গির তলে
লুঙ্গি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আখিরাত ঠিক করার পাশাপাশি দুনিয়ার রাজনীতিতেও ঢুকে পড়লেন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০৮


জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার দুই মাস পার হয়েছে। দেশের মানুষ একটু দম ফেলছে , চায়ের আড্ডায় যখন ভোটের উত্তাপ ফিকে হয়ে আসছে, ঠিক তখনই খবর এলো সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা, ভৌগোলিক প্রভাব এবং আধ্যাত্মিক প্রতিফলন

আমরা প্রতিদিন যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখি, সেটাকে এতটাই স্বাভাবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×