পরিহাস, অবজ্ঞা, বিপন্নতা, ছেলেমানুষী নাকি এক বিজয়ী শিল্পী পরিতৃপ্তির চিহ্ন। এই হাসির অর্থ উদ্ধার করতে পারেনি সিনেমার আরেক চরিত্র আন্তনিও সালিয়েরিও। জীবনের শেষ বয়সে এসে, পাগলাগারদ বা অ্যাসাইলামে বসে তিনি কনফেশন করছেন মোজার্ট আর তার সম্পর্ক বিষয়ে। কনফেশন যখন শেষ তখন চারদিকের পাগলদের ভিড় অতিক্রম করতে করতে তিনি চিৎকার দিতে থাকেন- চারদিকে মিডিওকারে ভরে গেছে। আমি মিডিওকার, তুমি মিডিওকার, সে মিডিওকার। শুধু এই মোজার্টই তার জীবনে দেখা একমাত্র জিনিয়াস। মোজার্ট ঈশ্বরতুল্য। কেননা তার মধ্যে তিনি দেখেছেন ঈশ্বরকে। প্রথমে অসামান্য সেই প্রতিভার প্রতি তার বিস্ময় জেগেছে। তারপর জেগেছে ঈর্ষা ।আর শেষ বয়সে অপরাধবোধ। অস্টৃয়ার সালজবার্গ থেকে মোজার্ট ভিয়েনায় আসার পর শুরু হয় সিনেমার কাহিনী। ভিয়েনার রাজদরবারে কাজ জোটাতে চান মোজার্ট। কিন্তু দরবারের প্রধান শিল্পী তাকে বাধা দিচ্ছে। এই শিল্পীই সালিয়েরি। কীভাবে একজন শিল্পী শুধু শৈল্পিক ঈর্ষাবশত একজন জিনিয়াসের পথ রুদ্ধ করতে পারে তার দলিল হলো আমেদিউস। পাগলাটে, কমবয়সী তরুণ মোজর্টের অসাধারণ সৃষ্টি ক্ষমতাও এর বিষয়। আর বিষয় ক্ষণজন্মা মোজার্টের দুঃখভরা ছোট জীবন। 1756-1791 মাত্র 35 বছরের জীবন।
আমেদিউস পরিচালনা করেছেন মিলোস ফোরম্যান। এটি রিলিজ হয়েছে 1984তে। পিটার শ্যাফারের নাটক থেকে এটি অ্যাডাপ্ট করা হয়েছিল। পিটার শ্যাফার অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন রুশ কবি আলেক্সান্ডার পুশকিনের নাটক মোর্জার্ট ও সালিয়েরির দ্্বারা।
ফলে বুঝতেই পারছেন!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


