সরলা দেবী ও মোহনদাস করমচাদ গান্ধীর প্রেম
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
প্রায় 90 বছর ধরে মোহনদাস করমচাদ গান্ধীর জীবনের একটি গোপন খবর লুকিয়ে রেখেছিলেন তার বৃহত্তর পরিবারের সদস্যরা। স্ত্রী, চার ছেলে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি, জাতীয় নেতা-নেত্রী, আশ্রমের সেবক, স্বাধীনতা যোদ্ধা এমনকি তার জীবনীকাররা পর্যনত্দ কেউই গান্ধীজির প্রায় উন্মুক্ত জীবনের এ সত্য ঘটনা প্রকাশ করেননি। সে গোপন খবরটি হলো, গান্ধীজির একটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আর এ প্রেম ছিল অত্যনত্দ সুন্দর বাঙালি নারী সরলা দেবীর সঙ্গে। তিনি ছিলেন উজ্জ্বলতম এক নারী। বাঙালি অভিজাত বিদ্বৎসমাজের একজন। সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাগি্ন। এ লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী নারীকে সে সময়ে বলা হতো বাংলার জোন অফ আর্ক, মর্ত্যের পৃথিবীতে নেমে আসা দেবী দুর্গা। তার চারপাশের তরম্নণরা তার মন জয় করার জন্য নিজেদের মধ্যে লড়াই করে মরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকতো। গান্ধীজি তার প্রতিভা ও সৌন্দর্যে মন্ত্রমুগ্ধ ছিলেন। আর এ তথ্যটি ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে গোপন ছিল না। সি রাজগোপালচারী, তার ছেলেদের মধ্যে দেবদাস, সেক্রেটারি মহাদেব দেশাই ব্যাপারটা জানতেন। তারা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং তাদের প্রায় সবাই তাকে চাপ দিয়েছিলেন যেন গান্ধী তার ও অন্যদের ভালোর জন্য এ সম্পর্কে ইতি টানেন। এমনকি তার প্রায় সর্বংসহা স্ত্রী কস্তুরা বাই এ সম্পর্কের জন্য ভীষণ আহত বোধ করেছিলেন। অবাক করার ব্যাপার, এটাই সম্ভবত একমাত্র ঘটনা যা গান্ধী তার অকপট আত্মজীবনীতে উলেস্নখ করেননি। সরলা দেবীর কথা তার জীবনীতে মোটেও উলেস্নখ করেননি। মহাত্মা গান্ধীর নাতি রাজমোহন গান্ধী অবশেষে এ নীরবতা ভঙ্গ করলেন। তিনি গান্ধীর জীবনকে নতুন রূপ দেয়ার কাজে মনোনিবেশ করেছেন তার নতুন বই মোহনদাস : এ ট্রু স্টোরি অফ এ ম্যান, হিজ পিপল অ্যান্ড এন এম্পায়ার-এ। গান্ধীর জীবনের সবচেয়ে বড় লোভনীয় ঘটনা এতে বর্ণনা করা হয়েছে। আরো আছে গান্ধীজি কিভাবে এ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম চালিয়েছিলেন। এ বইটির প্রকাশক পেঙ্গুইন/ভাইকিং। 760 পৃষ্ঠার এ বইটির দাম 650 রম্নপি। বইটি থেকে
কিছু অংশ এখানে প্রকাশ করা হলো।
ধারাবহিকভাবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে...
...বাকিটুকু পড়ুন




খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫

মসজিদে বসে মদ খেতে দাও, অথবা সেই জায়গাটা দেখাও যেখানে আল্লাহ নেই।বহুদিন ধরে গল্প লেখা হয় না!
অথচ আমার গল্প লিখতে ভালো লাগে। সস্তা প্রেম ভালোবাসা বা আবেগের...
...বাকিটুকু পড়ুন