ওই অতিদূরে পৃষ্পধ্বনিময় দুটি বৃক্ষ
দুটি গাছ মোহ ও আবেগের মতো মাথা নাড়ে
দোলায় মাথা
ইষৎসম্মত হয়ে পরস্পর দাঁড়ায়ে থাকবে বলে।
আর কোথাকার কোন ঠাকুরের গ্রামে
একটি বৃক্ষ
বৃক্ষফল ও রাশিফলে সিংহের ছাপ, ভাব ও ভাষা পেয়ে
বিস্রস্ত শিহরণগুরি সাজায়, সাজাতেই থাকে...
ফলে
কম্পমান গাছকে
কেশভারে স্পন্দনশীল বলে মনে হয়।
সেজেগুজে নার্সারি কেজি অনে পড়া
শিশুদের জন্য অপেক্ষমান মায়েদের মতো
স্কুলের গেটে বৃক্ষগুলি
মাতৃবাৎসল্যে আমাদের জন্য কত মাথা নাড়ে
মাথা দোলায়!
আর আমরা সহপাঠী, পাঠিনীদের সাথে
পৃষ্ঠদেশে জ্ঞানভার বেঁধে নিয়ে
ক্রমাগত ছুটে যাই
ছুটিতেই থাকি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




