সরদার আবদুর রহমান : দেশে রাজনৈতিক ইস্যুতে বর্তমানে সক্রিয় সংগঠন ‘সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম' এখন আর কমান্ডারদের সংগঠন নয়, আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, উপ-সর্বাধিনায়ক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ১১টি সেক্টরের ১৮ জনসহ ২১ শীর্ষ কমান্ডারের মধ্যে মাত্র ৪ জনকে নিয়ে চলছে এই ফোরাম। এছাড়া সাব-সেক্টরের প্রায় ৭০ জন কমান্ডার এবং কয়েকজন গেরিলা কমান্ডারসহ সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন মুক্তিযুদ্ধকালে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনকারী ব্যক্তিও কোনো সেক্টর কমান্ডার কিংবা কোনো সাব-সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন না।
গত জরুরি সরকারের আমলে কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে সামনে রেখে ২০০৭ সালে এই সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম গঠন করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক এ.কে খন্দকারকে সভাপতি করে গঠিত ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই ফোরামের কমিটিতে ছিলেন, সাবেক সেনাপ্রধান ও আওয়ামী লীগ নেতা কেএম সফিউল্লাহ, বিএনপির ভিন্ন মতাবলম্বী বলে পরিচিত লে. জে. মীর শওকত আলী, লে.জে. কাজী নূরুজ্জামান, মেজর রফিক বীর উত্তম এবং লে. কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী। এদের মধ্যে মীর শওকত আলী ও কাজী নূরুজ্জামান কিছুকাল আগে ইন্তিকাল করেন। এখন মাত্র ৪ জন সেক্টর কমান্ডার এই সংগঠনে রয়েছেন। বর্তমানে এই ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সেনাপ্রধান ও আওয়ামী লীগ সমর্থক লে জে. হারুনুর রশিদ। কিন্তু তিনি কোনো সেক্টর কমান্ডার কিংবা কোনো সাব-সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেননি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ২১ জন হলেন, সর্বাধিনায়ক কর্নেল এমএজি ওসমানী, ডেপুটি চীফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার, চীফ অব আর্মি স্টাফ লে. কর্নেল আবদুর রব এবং সেক্টর কমান্ডারগণ যথাক্রমে মেজর জিয়াউর রহমান, ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এটিএম হায়দার, মেজর কেএম সফিউল্লাহ, মেজর এএনএম নূরুজ্জামান, মেজর সি. আর দত্ত, মেজর মীর শওকত আলী, উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার, মেজর নাজমুল হক, মেজর কাজী নূরুজ্জামান, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এমএ মঞ্জুর, মেজর এমএ জলিল, মেজর আবু তাহের, স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ খান, মেজর জয়নুল আবেদীন ও ক্যাপ্টেন এ রব।
এই কমান্ডারগণের অধিকাংশই ইন্তিকাল করেছেন। বাকি জীবিতদের কয়েকজন এই ফোরামের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। ফলে বর্তমানে সাকুল্যে ৪ জন কমান্ডারকে নিয়ে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চালানো হচ্ছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের শীর্ষ কমান্ডারদের পদমর্যাদা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে কর্মসূচি পালনে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সরদার আবদুর রহমান : দেশে রাজনৈতিক ইস্যুতে বর্তমানে সক্রিয় সংগঠন ‘সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম' এখন আর কমান্ডারদের সংগঠন নয়, আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, উপ-সর্বাধিনায়ক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ১১টি সেক্টরের ১৮ জনসহ ২১ শীর্ষ কমান্ডারের মধ্যে মাত্র ৪ জনকে নিয়ে চলছে এই ফোরাম। এছাড়া সাব-সেক্টরের প্রায় ৭০ জন কমান্ডার এবং কয়েকজন গেরিলা কমান্ডারসহ সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন মুক্তিযুদ্ধকালে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনকারী ব্যক্তিও কোনো সেক্টর কমান্ডার কিংবা কোনো সাব-সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন না।
গত জরুরি সরকারের আমলে কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে সামনে রেখে ২০০৭ সালে এই সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম গঠন করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক এ.কে খন্দকারকে সভাপতি করে গঠিত ৬ সদস্য বিশিষ্ট এই ফোরামের কমিটিতে ছিলেন, সাবেক সেনাপ্রধান ও আওয়ামী লীগ নেতা কেএম সফিউল্লাহ, বিএনপির ভিন্ন মতাবলম্বী বলে পরিচিত লে. জে. মীর শওকত আলী, লে.জে. কাজী নূরুজ্জামান, মেজর রফিক বীর উত্তম এবং লে. কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী। এদের মধ্যে মীর শওকত আলী ও কাজী নূরুজ্জামান কিছুকাল আগে ইন্তিকাল করেন। এখন মাত্র ৪ জন সেক্টর কমান্ডার এই সংগঠনে রয়েছেন। বর্তমানে এই ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সেনাপ্রধান ও আওয়ামী লীগ সমর্থক লে জে. হারুনুর রশিদ। কিন্তু তিনি কোনো সেক্টর কমান্ডার কিংবা কোনো সাব-সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেননি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ২১ জন হলেন, সর্বাধিনায়ক কর্নেল এমএজি ওসমানী, ডেপুটি চীফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার, চীফ অব আর্মি স্টাফ লে. কর্নেল আবদুর রব এবং সেক্টর কমান্ডারগণ যথাক্রমে মেজর জিয়াউর রহমান, ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এটিএম হায়দার, মেজর কেএম সফিউল্লাহ, মেজর এএনএম নূরুজ্জামান, মেজর সি. আর দত্ত, মেজর মীর শওকত আলী, উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার, মেজর নাজমুল হক, মেজর কাজী নূরুজ্জামান, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এমএ মঞ্জুর, মেজর এমএ জলিল, মেজর আবু তাহের, স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ খান, মেজর জয়নুল আবেদীন ও ক্যাপ্টেন এ রব।
এই কমান্ডারগণের অধিকাংশই ইন্তিকাল করেছেন। বাকি জীবিতদের কয়েকজন এই ফোরামের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। ফলে বর্তমানে সাকুল্যে ৪ জন কমান্ডারকে নিয়ে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চালানো হচ্ছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের শীর্ষ কমান্ডারদের পদমর্যাদা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে কর্মসূচি পালনে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


