হোসেন শহীদ মজনু
লোলুপ হাওয়ার বেসামাল লম্ফঝম্ফ! চাঁদ-বিনে স্ফিত বিড়ালচক্ষু অাঁধার চিরে জানালার কার্নিশ ছুঁয়ে কিছু একটা গল্প ফাঁদে। ড্রেসিং-টেবিলে জ্বলন্ত চোখ নাকি সেই গল্পের প্রতিভাসে জেগে ওঠে নিবিড়-চাষে মগ্ন কোনো এক তরুণ! ততক্ষণে অবশ্য হাওয়াদের ছুটি মঞ্জুর, ঘর্মাক্ত কপোল-গণ্ডদেশ মুছে আর তরুণ ভাবে_ 'বিয়ের রাতে বিড়াল মারা' হল না। তারপরও তার যেন খারাপ লাগে না, বরং সন্তুষ্টি ছুঁয়ে থাকে...
সকালটা ঢুলুঢুলু, দুপুরটা ভাত-ঘুম! বিকালটা অস্থির, সন্ধ্যাটা যাচ্ছেতাই কেমন যেন দাঁড়ায়_ ঠাঁয়! রাতটা বড্ড মদির, উনুনে হাপর কিংবা দুই পাহাড়ের মাঝে অনন্ত সাঁতার, খলবলিয়ে সারা গা, শিরশির শীৎকারে! নতুন ব্র্যা-সায়া-ব্লাউজ-লালশাড়ি_ ভাঁজভাঙ্গা গন্ধ ছাপিয়ে শরীরের...! সোল্লাসে হাতায় আপাদমস্তক! রাত পোহালেই নতুন দিন_ আতর-সুরমাবিলাস! রাতের স্বাদটা লেগে থাকে দেহ-মনে! ঈদ; ছুটি; বিয়ে দারুণ সব অনুষঙ্গ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


