somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদ ছিল ছোট বেলার....

২৪ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৬:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাবা মার কাছে আব্দার করে যতটুকু পেতাম ততটুকই ছিল আনন্দ। বেশি পেলে বেশি, কম পেলে কম...কিন্তু ঈদতো হতো। আর আজ? কাগজের পর কাগজ ছিড়েঁ ফেলেও হিসেব মেলে না। বউ-ছেলে, মা বাবা, ভাইগ্না-ভাগ্নি, ছোট ভাইবোন এবং নিজের...বলুন কার দাবি পূরণ করবেন? কারটা বাকী রাখবেন?
আগে যেমন পেলে আনন্দ হতো সময়ের বিবর্তনে এখন দিলে- দিতে পারলে আনন্দ! কিন্তু না এ আনন্দ আর সমূলে ভোগ করতে পারি না। এর নাম চাকরিজীবী।
নতুন কিছু পাওয়ার আনন্দ সবাই চায়, পায় কজনা। তবু যারা কিছুই পেত না তারা অন্তত ঈদেরদিন বাবা-মাকে নিয়ে আনন্দেই থাকত...আর আজ? বুড়ো বাবা-মা গ্রামের বাড়ি ভাইয়া মিরপুরে, আপু বোরহানুদ্দিনে আমি হতভাগা বনশ্রী নামক গাঁয়ে...জানি সকালে উঠে ছেলেটা রেডি হয়ে থাকবে বাবার সাথে নামাজে যাবে বলে...কিন্তু আমি থাকবো অফিসে...রাতে যখন ফিরবো ছেলে তখন ঘুম...বাবা এভাবেই হবে ঈদমোবারক? মা ফোনে জানতে চাইবে কেমন কাটলো দিনটা? ফোনে ট্রাই করতে করতে...ঢুকতে পারি না নেট বিজি...বাবা বলবে আমার দাদুমনিকে নিয়ে নামাজে গেছিলা বাবা? ভাইয়া বলবে কীরে বাসায় আসলি না?
সময় পেলাম কই?
নাকি অহনাকে কিছু দেয়ার ভয়ে আসিসনি?
ছোটভাইটা বলবে জাবিরকে দেখতে আসতে চেয়েছিলাম...রাস্তায় গাড়িই পেলাম না। ঈদে এই বাসগুলো বন্ধ থাকে। সিএনজির যা ভাড়া....তাও ভাগ্যে যদি জোটে...একটার পেছনে শতশত মানুষ।
অতপর: ঈদ কাটবে ফেসবুকে...টিভির অনুষ্ঠান দেখে স্যরি বিজ্ঞাপন দেখে...
তবুও জানাই ঈদ মুবারক। প্রার্থনা জানাই হে প্রভূ যদি আনন্দের দিন হিসেবে পালনের উদ্দেশ্যেই যদি দিয়ে থাকো দিনটি তবে সবাইকে খুশি করার দায়িত্বও কি তোমার নয়? তুমিই পারো ঈদের খুশি ছড়িয়ে দিতে সবার ঘরে ঘরে...
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শৈশব থেকে খেলতে খেলতে শিশুকে ইংরেজি শিক্ষা দিন। ২ বছর বয়স থেকে কীভাবে আপনার শিশুকে খেলাধুলা, আনন্দ এবং দৈনন্দিন জীবনের মাধ্যমে ইংরেজি শেখাবেন?

লিখেছেন rezaul827, ২২ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

অনেক অভিভাবকের ধারণা, ইংরেজিতে সাবলীল হতে হলে ছোটবেলা থেকেই কোচিং, টিউটর বা ব্যয়বহুল স্কুল প্রয়োজন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে। আমি আমার সন্তানকে খেলার ছলে, স্বাভাবিক পরিবেশে এবং পরিবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আল্লাহ মহান=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:২২



একবার চিন্তায় ডুবাও মন?
ভেবে দেখো আরো একবার
আল্লাহ কত মহান, কত যে তাঁর দয়া;
ভুমিকম্প হলো প্রকট
তবুও বেঁচে আছি এ যাত্রায়
শোকর গুজার করেছো কী তাঁর?

ভাবনায় একবার আনো,
আল্লাহর দেয়া গজব-কত ভয়ঙ্কর
তবুও কী ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাঠে নামছে জামায়াত-এনসিপি।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:১৭


বাংলাদেশে এই প্রথম একটা অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। সরকার টেকানোর জন্য মাঠে নামছে বিরোধী দল! জ্বী, আপনি ঠিকই পড়েছেন। আগামীকাল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ওহ সরি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×