গ্রামের নাম খেওড়া। বি-বাড়ীয়া জেলার কসবাতে বৃক্ষ-লতা-ফুল ফলের বাগান আর বাশ ঝারে ছাউয়া অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমী এই চিরসবুজ গ্রামটি। এর উত্তর-দক্ষিন-পূর্বে রয়েছে সোনালী ধানের ফসলি মাঠ। এ যেন রবী ঠাকুরের সোনার বাংলার ই একক ক্ষেত্র ভূমি। এর পূর্ব দক্ষিণে রয়েছে এলাকার ঐতিয্যবাহি হাট ও বাজার ' খেওড়া বাজার ' . ত্রিমোহনার এই বাজারে এসে মিশেছে খাড়েরা বাস স্ট্যান্ড ও কুটি-চৌমোহনি থেকে আসা সড়ক যারা তাদের বুকে করে এনে বহু পল্লীর মানুষের মিলন ঘটায় এই বাজারে। এর উত্তরে গাছ-পালা আবৃত সবুজ-শ্যামল পিচ ঢালা পথের গৌরব নিয়ে বয়ে চলেছে দেলী-পাতাইসার আর পুর কুইল গামি এক টি সড়ক। এর এক টি আলাদা বৈশিস্ট হল, বিকেল বেলায় এর ধারে ধারে দেখা যায় সারা দিনের কর্মে অবসাদ গ্রস্থ মানুষের ঢল। দক্ষিণা সমীরণের মাতাল করা হাওয়ায় প্রকৃতির লিলা-নৃত্য দেখে নিজেদের হারাতে তারা এখানে এশে ভির জমায়। এই গ্রাম থেকে ঞানের আলো আছড়ে পড়েছে আশে পাশের ৭-৮ টি গ্রামে। এত বড় গ্রাম হওয়া সত্ত্বেয় এখাঙ্কার মানুষ মিলে মিশে বসবাস কর ছে। কত বংস, কত জাতের মানুষ এখানে আছে তবু এখানে নেই মৌলবাদ, নেই ধর্মীয় গোড়ামী। হিন্দু-মুস্লিম ভাই ভাই এর মত বেচে আছে।
" খেওড়া " পর্ব-১
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।