গত কাল ছিল শিব চর্তুদশী। আমার বাসায় বাবা ভোলা নাথের পুজা ছিল।স্বভাবতই আগত ভক্ত বৃন্দকে আজকে শিব চতুর্দশীর পারনের নিমন্ত্রন ছিল।
অতিথি আবার নারায়ন। তার উপরে নিমন্ত্রন করা।তাই রান্না হলো: মুগ ডাল ডাটা দিয়ে, পালং শাকের ঘন্ট, উচ্ছে আলু চচ্চড়ি, বেগুন ভাজা, লাবড়া, আলু ফুলকপির রসা, টমেটোর চাটনি আর পায়েস।
খাওয়া শেষে বিশ্রাম আর গল্প গুজবের পালা। এর মধ্যে প্রতিবেশী একজন মাসী বলছে, ”মাসী আপনি একটা বাচ্চা নেন।”
আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। “এই বয়সে বাচ্চা! কেন কি দরকার?”
”চেষ্টা করে দেখেন না মাসী যদি একটা ছেলে হয়!” আমি আরও বিস্মিত হলাম।
আপনার তো দুই মেয়ে. বিয়ে দিলে পরের ঘরে চলে যাবে. আপনাদের দেখবে কে?
প্রথমত: মেয়েরা পরের ঘরে যায় না। যায় নিজের ঘরে।দ্বিতীয়ত আমি তো মেয়েদের মেয়ে হিসাবে মানুষ করছি না। তারা আমার সন্তান। তারা দেখবে।”
”যদি জামাই তে না দেখে?” এই প্রশ্নটা থেকে যায়। কিন্তু জামাই বা জামাই থাকবে কেন?
কেন তারা ছেলে হবে না?
এই প্রসংগে তারা টিভিতে শোনা একটা ঘটনা শেয়ার করি। এক শাশুড়ী বা মা তার ছেলের কাছে বড় গন্জ্ঞনা সহ্য করে আছেন। অপর দিকে জামাই এবং মেয়ে তাকে নিয়ে আসতে চাইলো তাদের কাছে। কিন্তু শুধু মাত্র জামাই বাড়ী থাকবেন , এতে করে লোকে জেনে যাবে ছেলের চরিত্রের কথা, এই জন্য তিনি আসলেন না। অবশেষে তিনি সুইসাইড করলেন।
তাই আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গী পরিবর্তনেরও সময় এসেছে।
নিজের ছেলে যদি অন্যের জামাই হয়, তবে নিজের জামাই ছেলে হবে না কেন?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



