
সংখ্যা ছাড়া আমাদের মহাবিশ্বকে চিন্তা করা যায় না। আমরা আমদের জীবন, ধ্যান ধারনা, সবকিছুই সংখ্যা দ্বারা বুঝি।মহাবিশ্বে সংখ্যার সংখ্যা অসীম।এর ভেতরে কিছু কিছু সংখ্যা আলোচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ।যেমন শূন্য(০),পাই(৩.১৪১৫৯),PHI(১.৬১৮),এভোগ্রাড্রো সংখ্যা (সিক্স পয়েন্ট জিরো টু টু ইনটু টেনটু দা পাওয়ার টুয়ানটিথ্রি)ইত্যাদি।
আজকে আলোচনা করব PHI নিয়ে।PHI কে পাই এর সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।
PHI হল স্বর্গীয় অনুপাত।একে সুবর্ণ অনুপাতও বলা হয়। PHI কে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম সংখ্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।আমদের জগতে বিভিন্নরূপে PHI বিদ্যমান রয়েছে।PHI এসেছে ফিবোনাচ্চি সংখ্যাক্রম থেকে।আমরা সবাই ফিবোনাচ্চি সংখ্যাক্রম সম্পর্কে জানি।ফিবোনাচ্চি সংখ্যাক্রম হল(১,১,২,৩,৫,৮,১৩,২১,......)
ফিবোনাচ্চি সংখ্যা ক্রমানুসারে কোন সংখ্যা দুই পূর্ববর্তী সংখ্যার যোগফল হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়. ১৩ উদাহরণস্বরূপ, সমষ্টি, হয় ৫এবং ৮. এবং পরবর্তী সংখ্যা পরে ২১ হয় ৩৪, হিসাবে ১৩+২১ হয় ৩৪.
দুটি সন্নিহিত ফিবোনাচ্চি সংখ্যার অনুপাত আনুমানিক হয় ১.৬১৮ !
৫ঃ৩=১.৬৭; ৮ঃ৫=১.৬; ১৩ঃ৮=১.৬২৫; ২১ঃ১৩=১.৬৭; ১.৬১৫ ।
গানিতিক রহস্য ছাড়াও PHI কে পাওয়া যাবে প্রকৃতির মধ্যে।
এখন দেখব প্রকৃতির গঠনের মধ্যে PHI এর মৌলিকত্ব।
গাছপালা,জীবজন্তু এমনকি মানুষের ক্ষেত্রেও, সবকিছু PHI এর সাথে ১ এর সমানুপাতে আছে।
যা সত্যিই বিস্ময়কর।
তাই প্রাচীনকালের বিজ্ঞানীরা ১.৬১৮ কে স্বর্গীয় অনুপাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
মানুষের শরীরে এই স্বর্গীয় অনুপাতটি দেখা যায়।মাথা থেকে পা পর্যন্ত দূরত্বকে মাটি থেকে নাভি পর্যন্ত দূরত্ব দিয়ে ভাগ করলে ১.৬১৮ পাওয়া যায়।
কাঁধ থেকে হাতের আঙুল পর্যন্ত মেপে নিন,আর সেটাকে আপনার বাহু থেকে আঙুল পর্যন্ত যে মাপ হয় সেটা দিয়ে ভাগ করুন,আবার PHI. এভাবে আঙুলের গিট, পায়ের পাতা;মেরুদণ্ডের বিন্যাস ইত্যাদিতে পাওয়া যাবে PHI.
মৌচাকে পুরুষ মৌমাছি এবং স্ত্রী মৌমাছির অনুপাত,এখানে স্ত্রী মৌমাছি পুরুষ মৌমাছির তুলনায় বেশী থাকে।এদের অনুপাত প্রায় ১.৬১৮, আবারও PHI.
এছাড়াও গাছপালায় পাতার বিন্যাস, পোকা-মাকড়ের বিভাজনম।মহাবিশ্বের সবখানেই এই সুবর্ণ অথবা স্বর্গীয় অনুপাত বিদ্যমান।
যেখানে গনিত এবং প্রকৃতি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।
আমদের সংখ্যার জগত,যা আমদেরকে সত্যিই ভাবিয়ে তোলে। সংখ্যার সৌন্দর্য নিরবধি।



অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

