গ্রোথ অব দ্যা সয়েল, ন্যুট হামসুনের ক্লাসিক উপন্যাস। অসহায় আইজাক একা যাত্রা করে গভীর জঙ্গলের দিকে। সে চায় একটা অন্যরকম জীবন। নিরাপদ, সহজ। সে গভীল জঙ্গলে একটা জায়গায় বসবাস শুরু করে দেয়। গাছের ছাল বাকল খেয়ে জীবন ধারন করে। ধীরে ধীরে সে সেখানে চাষবাদ করতে লেগে যায়। চাষে মনোনিবেশ করার পর সে তার এলাকা আরো আবাদ করতে থাকে বাড়াতে থাকে। সে তার ফসল বিক্রি করে স্থানীয় এক গায়ে। সেখানে সে পরিচিতদের একটা মাইয়ার কথা বলে। যে আমার সাথে যদি একটা মাইয়া থাকে তাহলে আমি আরো ভাল করতে পারব চাষবাসে। ইঙ্গার ঠোট কাটা এক মেয়ে এসে একদিন তার স্টেটে হাজির হয়। দেখতে বিভৎস হলে ইঙ্গার খুব ভাল মেয়ে। সে তাকে মেনে নেয়। তাদের সন্তান হয়। প্রথম জন ইউলিসিস, দ্্বীতিয়জন সেফার্ট। মাঝখানে গ্রাম থেকে আসে এক তহসিলদার। সে তার স্টেটে ঘুরে দেখার পর বলে যে , এটা তো সরকারের সম্পত্তি, তোমাকে রেজিস্টেষন ও খতিয়ান করতে হবে। যাইহোক তহসিলদার ভাল মানষের পো। সে মাত্র একশ ডলারে তাও কিস্তিতে দেয় যোগ্য। তাকে জমিটার কাগজ পত্র করে দেয়। আইজাক কয়েকদিন গ্রামে ছিল। তখন তাদের এক কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। কন্যাটি ইঙ্গারের মত ঠোটছেরা আর বিদঘূটে হওয়ার কারনে ইঙ্গার তাকে হত্যা করে পুতে রাখে জঙ্গলে। তাদের দাই নিহত মেয়েটার লাশ বার করে। থানা থেকে পুলিশ আসে। ইঙ্গারের সাজা হয়ে যায় আট বছর। পরে তহসিলদার লোকটা আবার আসে এবং আইজাককে জানায় যে তার স্টেটের মধ্যে তামার খনি আছে। আইজাক সহজ মানুষ এত সব বুজেসুজে না। আইজাককে সে কিছু ডলার দিল। এবং খনি শুরু হলে আইজাক বড় লোক হয়ে গেল। লোকটার সহায়তায় ইঙ্গারকে বের করে আনে আইজাক। জেলে উঙ্গারের আরেকটি মেয়ে হয়। বড় ছেলে ইউলিসিস একটু উড়ন চন্ডী টাইপের তাকে নিয়ে যায় লোকটি। সে আবার ফিরে আসে । আইজাক তাকে একটা দোকান কিনে দেয়। সে ফেল মারতে থাকে সেখানেও। পরে সে আমেরিকা যাবার জন্য বায়না ধরে। এদিকে আইজাকের স্টেট আরো বাড়তে থাকে। তারাশংকরকে মনে পড়ায় এ উপন্যাসটি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




